সংবাদ শিরোনাম
 প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় সবার শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলবে | করোনা টেস্ট করাতে গিয়ে চার বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে খুঁজে পেল মা! | পাকিস্তানকে মদিনা শরিফের আদর্শ অনুসরণে মহৎ রাষ্ট্র বানাবো: ইমরান খান | মোদির হাতেই রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, আমন্ত্রিত সব মুখ্যমন্ত্রী | জুমার নামাজের মধ্যদিয়ে মসজিদ হিসেবে খুলছে ‘আয়া সোফিয়া’ | জায়নামাজ চাইলেন সাবরিনা, সঙ্গে কিছু বড় কাপড় | টিউশনের নাশতা খেয়েই দিন পার করা মেয়েটি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক | তুরস্কে আজান দেয়া বন্ধ করতে পারবে না কেউ: এরদোয়ান | রিমান্ডে স্বামী-স্ত্রীর কাদা ছোড়াছুড়ি | পরিবারের পছন্দের মেয়ে আর প্রেমিকা, দুজনকেই একসঙ্গে বিয়ে করলেন যুবক |
  • আজ ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘সর্বোচ্চ অধঃপতন ঘটেছে, দেশে দুর্ভিক্ষও হতে পারে’

Avatar | ডেস্ক ইডিটর ১০:০২ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৩, ২০২০ জাতীয়

করোনার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়ায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পরপরই রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. শাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা(মামলা নম্বর- ৫) করে র‌্যাব। এরপর বেরিয়ে আসে কুকীর্তির বিস্তীর্ণ ইতিহাস।

গাড়ি চাপা দিয়ে পথচারীকে আহত করে সেই আহত ব্যক্তিকে নিজের হাসপাতালে ভর্তি করে লাখ লাখ টাকার ভুয়া বিল করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মত অপরাধও করেছে শাহেদ।

রোববার (১২ জুলাই) করোনা শনাক্ত ও আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদের জালিয়াতি প্রসঙ্গে একটি স্বনামধন্য গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক।
ঐ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন ‘শাহেদ করিম একাই জালিয়াতি করেছেন, বিষয়টি এমন নয়। অনেকেই করোনাকালে দুর্নীতি করেছেন, করছেন। কয়েকটি হাসপাতালের জালিয়াতির খবর তো মিডিয়াই পেল। তিনি বলেছেন, মহামারির এমন দিনে যখন মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা, জালিয়াতি হয়, তখন সমাজের সর্বোচ্চ অধঃপতন ঘটছে বলেই মনে করতে হয়।’

শাহদীন মালিক আরও বলেন, ‘ভেঙে পড়া সমাজের খেসারত হিসেবে দুর্ভিক্ষও দেখা যেতে পারে। আবার অশান্তি চরম অবস্থায়ও রূপ নিতে পারে, যা গোত্রে গোত্রে হানাহানিও তৈরি করবে।’

শাহেদকে এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ। তবে রিমান্ডে আছেন বাকি সাত আসামি। তারা হলেন, সাত আসামি হলেন রিজেন্ট গ্রুপের বেতনভুক কর্মকর্তা-কর্মচারী। তারা হলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান হাবীব, হেলথ টেকনিশিয়ান আহসান হাবীব হাসান, হেলথ টেকনোলজিস্ট হাতিম আলী, রিজেন্ট গ্রুপের প্রকল্প প্রশাসক রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত বণিক, রিজেন্ট গ্রুপের গাড়িচালক আবদুস সালাম ও নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রশীদ খান।