সংবাদ শিরোনাম
 প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় সবার শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলবে | করোনা টেস্ট করাতে গিয়ে চার বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে খুঁজে পেল মা! | পাকিস্তানকে মদিনা শরিফের আদর্শ অনুসরণে মহৎ রাষ্ট্র বানাবো: ইমরান খান | মোদির হাতেই রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, আমন্ত্রিত সব মুখ্যমন্ত্রী | জুমার নামাজের মধ্যদিয়ে মসজিদ হিসেবে খুলছে ‘আয়া সোফিয়া’ | জায়নামাজ চাইলেন সাবরিনা, সঙ্গে কিছু বড় কাপড় | টিউশনের নাশতা খেয়েই দিন পার করা মেয়েটি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক | তুরস্কে আজান দেয়া বন্ধ করতে পারবে না কেউ: এরদোয়ান | রিমান্ডে স্বামী-স্ত্রীর কাদা ছোড়াছুড়ি | পরিবারের পছন্দের মেয়ে আর প্রেমিকা, দুজনকেই একসঙ্গে বিয়ে করলেন যুবক |
  • আজ ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জুমার নামাজের মধ্যদিয়ে মসজিদ হিসেবে খুলছে ‘আয়া সোফিয়া’

Avatar | হাবিব, ডেস্ক এডিটর ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ২৩, ২০২০ আন্তর্জাতিক, মুসলিম বিশ্ব, হেডার স্কল

৮৬ বছর পর পুনরায় মসজিদ হিসেবেই চালু হচ্ছে আয়া সুফিয়া। ২৪ জুলাই শুক্রবার নামাজের মাধ্যমেই এই নবযাত্রা শুরু হবে।

এদিন জুমার নামাজে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান, ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টির নেতা ডেভলেত বাহচেলিসহ রাষ্ট্রীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনী নামাজে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন অন্তত দেড় হাজার মুসল্লি।

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে স্থাপিত এ স্থাপনাটি অর্থোডক্স গির্জার জন্য সর্বপ্রথম তৈরি করা হয়। ১২০৪ সাল পর্যন্ত এ স্থাপনাটি গির্জা হিসেবে উপাসনা চলে। ১২০৪ সালের পর এটি ক্যাথলিক গির্জায় রূপান্তরিত হয়।

যা প্রায় ৫৭ বছর ক্যাথলিক গির্জা হিসেবে ব্যবহারের পর ১৯৬১ সালে তা আবার অর্থোডক্স গির্জায় রূপান্তরিত হয়। আর তা ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৯২ বছর স্থায়ী হয়।

১৪৫৩ সালে (পঞ্চদশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ে) এ অঞ্চলটি উসমানিয় খলিফাদের দখলে আসে। উসমানিয় শাসকরা এ স্থাপনাটিকে মসজিদে পরিণত করে। যা ৫০০ বছর স্থায়ী হয়। সে সময় এ স্থাপনাটিকে ‘ইম্পেরিয়াল মসজিদ’ নামে ঘোষণা দিয়ে প্রধান মসজিদের মর্যাদা দেয়া হয়।

৪৮২ বছর মসজিদ থাকার পর ১৯৩৫ সালে আধুনিক তুরস্কের স্থপতি ও রাষ্ট্রপতি কামাল আতাতুর্ক এ স্থাপনাটিকে জাদুঘরে পরিণত করেন। এরপর ৮৬ যাবত এটা জাদুঘর হিসেবে পরিচিত ছিল।

গত ১০ জুলাই তুরস্কের আদালত ১৯৩৪ সালে আয়া সোফিয়াকে জাদুঘর বানানোর ডিক্রি বাতিল করে মসজিদে ফিরিয়ে আনার রায় দেন। যার মাধ্যমে আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি হয়। জাদুঘরে রূপ দেয়ার আগে ৫০০ বছর স্থাপনাটি মসজিদ ছিল।

১৬ জুলাই তুরস্কের ধর্ম বিষয়ক অধিদফতর মসজিদে রূপান্তরিত হওয়ার পরে আয়া সোফিয়া পরিচালনার জন্য সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি সহযোগিতা প্রোটোকল স্বাক্ষর করে।

প্রোটোকলের অধীনে সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের কাজ তদারকি করবে। ধর্ম বিষয়ক অধিদফতর ধর্মীয় বিষয়টি তদারকি করবে। মূল্যবান এ স্থাপনাটি বিনামূল্যে উন্মুক্ত থাকবে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য।