• আজ ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
 রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি! | সীমান্তে উত্তেজনা;ভারত পাকিস্তান ভয়াবহ গোলাবর্ষণ | গত ২৭ বছরে লাশ হয়ে ফিরেছেন ৩৮ হাজারের বেশি প্রবাসী | করোনায় প্রাণ গেল ৩৭ জনের, নতুন আক্রান্ত ১৬৬৬ | ভারত-চীন সীমান্তে সংঘাত নিরসনে সম্মত | ওবায়দুল কাদের বলেছেন করোনা মেট্রোরেলের সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়েছে | রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার : সীমিত পরিসরে আদালত বসতে পারে বাংলাদেশে | সতর্ক বেলারুশ ;লিথুয়ানিয়ায় সেনা মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের | বহু হতাহতের আশঙ্কা;লেবাননে হিজবুল্লাহর অস্ত্র গুদামে বিস্ফোরণ | রাস্তা নির্মাণে যেন কারও বাড়ি বা জমি অহেতুক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়ঃ প্রধানমন্ত্রী |

প্লাস্টিকের ঝুড়ি দিয়ে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ

এবারের রমজানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে হয়তো জাকার্তার উপকণ্ঠে ১২ শত আটটি প্লাস্টিক বক্স দ্বারা নির্মিত ছোট্ট মসজিদটি মুসল্লিদের সালাত ও কোরআন তিলাওয়াতের আওয়াজে মুখরিত থাকতো।

২০১৯ সালের গোড়ার দিকে নির্মিত ৪২ স্কয়ার মিটারের এই মসজিদটির জন্য এটিই প্রথম রমজান।

এটি ইন্দোনেশিয়ার কেবুন আইডিয়া নামক প্রাকৃতিক আমেজে ঘেরা একটি রেস্টুরেন্টের প্রার্থনাকক্ষ।
যদিও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার জামাতবদ্ধ ইবাদতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তবু ব্যবহৃত প্লাস্টিক বক্স (ক্রেট) দ্বারা নির্মিত নান্দনিক ডিজাইনের এই মসজিদটি এখনো মানুষের দৃষ্টি কাড়ছে।

কেবুন আইডিয়ার সত্ত্বাধিকারী হান্দোকো হেন্দ্রোয়োনো বলেন, মসজিদটি নির্মাণের পর থেকে স্থানীয়রা এখানে কোরআন তিলাওয়াতসহ স্বল্প পরিসরে বিভিন্ন ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজন করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে রেস্টুরেন্ট খুলতে না পারায় আমরা তা করতে পারছি না।

বিনতারো শহরে নির্মিত কোটাক্রাট নামক এই ছোট্ট প্রার্থনাকক্ষটির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিলো প্রার্থনার পাশাপাশি স্থাপত্য সৌন্দর্য প্রদর্শন করা।

হান্দাকো আরো বলেন, বাতিল প্লাস্টিকের বক্স ব্যবহার করে এই ছোট্ট মসজিদ নির্মাণের পরিক’ল্পনাটি ছিলো অত্যন্ত চমৎকার। আর তাছাড়া আমাদের রেস্টুরেন্টের গেস্ট ও কর্মচারীদের জন্য একটি প্রার্থনাকক্ষেরও প্রয়োজন ছিলো।

মসজিদটির ছাদ, দেয়াল ও জুতা রাখার বাক্স বানানোর জন্য সর্বমোট ১২০৮ টি প্লাস্টিকের ক্রেট প্রয়োজন হয়েছে।

এই মসজিদটিতে মুসল্লিদের ওজু করার জন্য পানির কলও রয়েছে। দেয়াল ও ছাদ বানাতে ক্রেটগুলো জোড়া লাগানোর জন্য লোহার কুড়ুপ ব্যবহার করা হয়েছে। আর ছাদ ধরে রাখার জন্য ফাঁপা ধাতব খুঁটি ব্যবহার করা হয়েছে।

মসজিদটিতে নারী-পুরুষের প্রবেশের জন্য দুটি ভিন্ন দরজা রয়েছে। আর এতে সর্বমোট তিনটি কাতার করা যায় যেগুলোর প্রত্যেকটিতে নয়জন করে মুসল্লি দাঁড়াতে পারে। তবে প্রথম কাতারে শুধুমাত্র ইমাম সাহেব দাঁড়ান, আর বাকি দুটির একটিতে দাঁড়ায় পুরুষ মুসল্লি ও অন্যটিতে নারী মুসল্লি।