• আজ ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিভিন্ন রোগ ব্যাধিকতে আক্রান্ত হচ্ছে, কুড়িগ্রামের বন্যার্তরা

| সাইফুল, নিউজরুম এডিটর ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ | আগস্ট ১০, ২০২০ জাতীয়, দেশজুড়ে, লিড নিউজ

কুড়িগ্রামে বন্যা পরবর্তী সময়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন রোগব্যাধি। মানুষের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছে গবাদি পশুও। বানভাসী মানুষ বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতে রোগব্যাধি নিয়ে রয়েছে চরম দুশ্চিন্তায়। তেমনি হাতে টাকা পয়সা না থাকায় ঘরবাড়ি মেরামত করা, ভেঙ্গে পড়া নলকুপ ও লেট্রিন সংস্কার নিয়ে রয়েছে বিপাকে।

এই অবস্থায় সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হলেও তা ছিল অপ্রতুল। এখনো মানুষ ও গবাদিপশু খাদ্য সংকটে ভুগছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানায়, চলতি বন্যায় ৩ হাজার ৮৯২টি গরু লাম্পি স্কিন ডিজিজসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়াও বন্যার পূর্বে ২৬ হাজার ৩শ’ গরুকে টিকা প্রদান করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

কিন্তু মাঠের চিত্র ভিন্ন। এখনো সাড়ে ৪ শতাধিক চরে অসংখ্য গরু লাম্পি স্কিনসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত আছে বলে জনপ্রতিনিধিসহ ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বন্যায় জেলার ৯টি উপজেলার ৭৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫৬টি ইউনিয়নের ৪৭৫টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়েছে। জলবন্দী, নদীভাঙন ও পানিবন্দী মানুষের সংখ্যা আড়াই লাখ। বন্যায় প্রায় ৬৩ হাজার বাড়িঘর পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে শতশত গবাদিপশু। নলকুপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪২ হাজার ২৩৭টি। বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছে শিশুসহ ২২জন। বন্যার পানি বিপদসীমার উপর থেকে কমতে শুরু করার পর থেকে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ। চরাঞ্চলের মানুষদের হাত, পা ও আঙ্গুল ফেঁটে যাচ্ছে। শরীরে বাসা বাঁধছে নানান জটিল রোগ।

জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ বন্যাকালিন সময়ে ৮৫টি মেডিকেল টিম গঠনের কথা বললেও দুর্গম চরাঞ্চলে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হাজার হাজার চরাঞ্চলবাসী। বন্যায় নলকুপ ও লেট্রিন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় তা এখন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। পানি নেমে যাওয়ার পর এসব সংস্কার নিয়ে বিপাকে রয়েছে মানুষ।

অর্থের অভাবে ভাঙা কুঠিরেই অনেকে অবস্থান নিয়েছে।জেলার উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ব্রহ্মপূত্র নদ পরিবেষ্টিত মশালের চরের।

ইউপি সদস্য সিদ্দিক আলী জানান, আমার ৯নং ওয়ার্ডে ২৫০টি পরিবার