• আজ ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শ্রীনগরে মামলায় হয়রানির অভিযোগ

| ফারুখ খাঁন, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) ৭:১০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ সারাদেশ

শ্রীনগরে প্রতিপক্ষের দেওয়া মামলায় আসামী পক্ষের নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আসামী পক্ষের বেশ কয়েকজন স্বজনকে নিজ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তুলে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। আসামী পক্ষের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জানা গেছে, শ্রীনগর সদর ইউনিয়নের মৃত নরহরি শীলের পুত্র নয়ন শীলের সঙ্গে একই এলাকার শ্রী সাধু ঘোষের কন্যা রিধিকা ঘোষের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সেই সূত্রে গত জুলাই মাসে তারা পালিয়ে গিয়ে হিন্দু সনাতন ধর্মীয় অনুসারে তারা বিবাহ করে আত্মগোপন করে থাকে। রিধিকার পিতা সাধু ঘোষ নয়ন শীল ও তার মা চিন্তামনি শীলসহ ৬ জনকে আসামী করে শ্রীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ এখন এজাহারভুক্ত কোন আসামী ধরতে পারেনি। কিছুদিন আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীনগর বাজারে উপস্থিত হয়ে নয়ন শীলের ভাড়া সেলুনটি বন্ধ করে দেয়। এতে সেলুনের অন্যান্য কর্মচারীরা বিপাকে পড়েন। ১২ দিন বন্ধ থাকার পরে বাজার কমিটির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান জিঠুসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তুহিনের মালিকানা দোকানটি খুলে দেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ মামলার প্রধান আসামী নয়নের চাচা বিশ্বনাথ শীলকে গত ৬ সেপ্টেম্বর ও ৮ সেপ্টেম্বর ২নং আসামী শুভংকর সাহার বৃদ্ধ পিতা বাদল সাহা এবং ৩নং আসামী অমিত মালাকারের পিতা কৃষ্ণ মালাকারকে দোকান থেকে তুলে থানায় নিয়ে যান।

ভূক্তভোগীরা জানান, আমরা গরীব মানুষ। সেলুনে কাজকর্ম করে খাই। নয়ন ওই মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গেছে এখানে আমাদের কোন হাত নেই। ছেলে মেয়েরা যখন প্রেম করে তখন কি বাবা মায়েরা সব জানেন। নয়ন ওই মেয়েকে নিয়ে কোথায় আছে আমরা জানিনা। কিন্তু পুলিশ আমাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। দোকান থেকে তুলে নিচ্ছেন।
একটি সূত্র জানায়, মামলাটির (৪০১৭(৩)১/২৫/০৭/২১) তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খন্দকার জিয়াউল ইসলাম বেআইনীভাবে দোকান ঘরটি বন্ধ করার পাশাপাশি আসামীদের ধরতে না পেরে তাদের নিরপরাধ স্বজনদের ধরে হয়রানী করছেন। বিষয়টি অতি দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে শ্রীনগর থানার এসআই ও মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা খন্দকার জিয়াউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নাবালিকা মেয়েটি উদ্ধারে আসামীদের স্বজনদেরকে জিগ্যাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শ্রীনগর বাজারে দোকান ঘরটি বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন।

পিএন/জেটএস


করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন পিপলস নিউজ‘এ । আজই পাঠিয়ে দিন feature.peoples@gmail.com মেইলে