• আজ ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কুলিয়ারচর প্রবাসী সম্প্রীতি ফোরাম এর হিসাব নিয়ে ফেসবুক লাইভে- রায়হান

| ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, মোঃ মাইন উদ্দিন ৫:৪৮ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ সারাদেশ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত অরাজনৈতিক একটি মানবিক ও সেবামূলক সংগঠন “কুলিয়ারচর প্রবাসী সম্প্রীতি ফোরাম”।

সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের বীরকাশিমনগর গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী আজহারুল ইসলাম রায়হান।

সংগঠনটি ইদানিং দুইভাগে বিবক্ত হয়ে যাওয়ার পর থেকে দুই গ্রুপের মধ্য থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা রকম প্রচার প্রচারণা। এসব প্রচার প্রচারণার পর অবশেষে সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি “কুলিয়ারচর প্রবাসী সম্প্রীতি ফোরাম” এর সকল সদস্যদের উদ্দেশ্য করে বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টার দিকে আমেরিকা থেকে তার ব্যবহৃত ফেসবুকের মাধ্যমে সরাসরি একটি লাইভ প্রচার করেন।

লাইভে তিনি “কুলিয়ারচর প্রবাসী সম্প্রীতি ফোরাম” এর বিগত কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক মমিনুল হক নাদিম, কেন্দ্রীয় সভাপতি আজহারুল ইসলাম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদ রেজা, কুলিয়ারচর পৌর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান রনি, রামদী ইউনিয়ন শাখার নির্বাহী পরিচালক কাজী সাইফুল ইসলাম, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি শাফিক তুহিন, সালুয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক ও গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ মাখন মিয়ার স্বাক্ষরিত একটি হিসাব পত্র থেকে সংগঠনের বিগত এক বছরের আয়-ব্যায়ের হিসাব সকলের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন।

তার এই হিসাব থেকে জানা যায়, গত ২০২০ সালের ২১জুন থেকে ২০২১ সালের ২১জুন পর্যন্ত অনুদান উত্তোলন থেকে পাওয়া গেছে সালুয়া ইউনিয়ন শাখা- ৩,৬৯,৮৪৫ টাকা, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখা- ৬২,৫০০ টাকা, উপজেলা সদর শাখা- ২,৯৯,৫০০ টাকা, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখা- ৬৩,০০০ টাকা, রামদী ইউনিয়ন শাখা- ৪,০৯,০০০ টাকা, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখা- ২,২৩,০০০ টাকা ও ফরিদপুর ইউনিয়ন শাখা- ৩১,০০০ টাকা। অর্থাৎ সর্বমোট পাওয়া গেছে- ১৪,৫৭,৮৪৫ টাকা।

লাইভে তিনি জানান, এসব টাকা থেকে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান ও অন্যান্য খরচ হয়েছে সালুয়া ইউনিয়ন শাখায়- ২,৮৫,৯০ টাকা, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখায়- ৪৯,০০০ টাকা, উপজেলা সদর শাখায়- ২,৭৯,০০০ টাকা, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখায়- ১,১৭,৭০০ টাকা, রামদী ইউনিয়ন শাখায়- ২,০৯,৮৮০ টাকা, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখায়- ২,১৫,০০০ টাকা ও ফরিদপুর ইউনিয়ন শাখায়- ৪৪,০০০ টাকা। এছাড়া বার্ষিক কেলেন্ডার তৈয়ারিতে খরচ হয়েছে- ২০,০০০ টাকা, বার্ষিক ডায়েরী তৈয়ারিতে খরচ হয়েছে- ২৪,০০০ টাকা, স্মরণিকা তৈয়ারিতে খরচ হয়েছে- ১,০০০০০ টাকা, বিশিষ্টজনদের সম্মাননা শুভেচ্ছার জন্য ফুল বাবদ ও অন্যান্য বাবদ খরচ হয়েছে ১০,০০০ টাকা, ক্যালেন্ডার ও ডায়েরী বিতরণ ও অনুদান প্রদান অনুষ্টানের জন্য খরচ হয়েছে ১৫,০০০ টাকা। সর্বমোট খরচ হয়েছে ১৩,৬৮,৬৭০ টাকা। ব্যাংকে নগদ আছে ৮৯,১৭৫ টাকা। তবে এ হিসাব প্রকাশের আগে বুধবার তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি বলেন, সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ যেন হিসেব টুকু বুঝে নেন।

তাছাড়াও যারা তাকে নিয়ে ইতি পূর্বে সোস্যাল মিডিয়াতে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন বিশেষ করে সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়সাল ইসলাম রিয়াজ সহ ঐ সকল সম্মানিত সদস্যদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সময় মতো যারা লাইভ প্রোগ্রামটি দেখেছেন বা এখনো দেখেন নাই তারা দেখে সংগঠনের হিসেব বা সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করার কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সকলের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। তবে কেউ ফেইক আইডি থেকে কোন রকম প্রশ্ন না করার জন্য অনুরোধ করেন এবং তথ্যহীন প্রশ্নকরা থেকে

পিএন/জেটএস


করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন পিপলস নিউজ‘এ । আজই পাঠিয়ে দিন feature.peoples@gmail.com মেইলে