• আজ ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বরিশালে ইভ্যালির সিইও’র মুক্তির দাবীতে গ্রাহকদের মানববন্ধন

| আব্দুল্লাহ আল হাসিব, বরিশাল সদর ৪:৩৭ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১, ২০২১ সারাদেশ

বরিশালে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের মুক্তিসহ সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইভ্যালির সাধারণ গ্রাহকরা। শুক্রবার (১ অক্টোবর) নগরীর সদর রোডস্থ টাউন হলের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে থেকে এ দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে সাতদফা দাবী তুলে ধরে সিইও রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তি চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। এসময় আন্দোলনরত বলেন, গ্রেফতার কোন সমাধান নয়। ইভ্যালি টাকা আত্মসাৎ করেনি। ইভ্যালিকে সময় দিলে তাদের পণ্য ও টাকা ফেরত আসবে।

তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো- রাসেলকে নজরদারিতে রেখে ব্যবসায় করার সুযোগ দেওয়া; এসক্রো সিস্টেম চালু হওয়ার আগে অর্ডার করা পণ্য ডেলিভারি দিতে কমপক্ষে ছয় মাস সময় দিতে হবে; বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইকাব, পেমেন্ট গেটওয়ে, মার্চেন্ট ও ভোক্তাদের প্রতিনিধিদের সমন্বয় কমিটি গঠন করতে হবে; করোনাকালীন সময়ে বিভিন্ন খাতের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রণোদনা দিতে হবে; ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাংক গ্যারান্টিসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়াও ই-কমার্স দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত, যেখানে হাজার হাজার উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং লাখ লাখ কর্মসংস্থান হচ্ছে। এই সেক্টরকে সরকারিভাবে সুরক্ষা দিতে হবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, আমরা ইভ্যালির সিইও রাসেল ভাই ও তার স্ত্রীর মুক্তি চাচ্ছি। রাসেল ভাই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী রেগুলার অর্ডার ডেলিভারির পাশাপাশি আগের পন্যগুলো দেওয়া শুরু করছিলেন। তাহলে তাকে কেন সময় দেওয়া হবে না। যত দ্রুত উনি মুক্তি পাবেন তত দ্রুত আমাদের ব্যাকলগগুলো ক্লিয়ার করতে পারবেন। আমরা সাধারণ গ্রাহকরা ইভ্যালিকে সময় দিতে চাই।

এসময় সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে বক্তারা বলেন, আমরা সাধারণ গ্রাহকরা ইভ্যালিকে সময় দিতে চাই, সরকার কেন সময় দিবে না। ইভ্যালি টাকা দিতে ব্যর্থ হলে এই দ্বায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, উনি আমাদের যে কমিটমেন্ট করেছেন সে কমিটমেন্ট অনুসারে আমাদের পণ্যগুলো আমাদেরকে দিয়ে দেবেন। আমরা যারা আছি, সবাই ওনাকে সময় দিতে চাই। এ বিষয়ে কিন্তু ভোক্তা অধিকারে মামলা করছি না। কারণ উনি বিজনেস করতে এসেছেন। বিজনেস করার চিন্তা আছে বলেই আমাদের কাছে সময় চেয়েছেন। ই-কমার্সকে ধ্বংস করে ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়া কোনদিনও সম্ভব না। আমরা দেশের ই-কমার্স খাতকে ধ্বংস হতে দিবো না।

পিএন/জেটএস


করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন পিপলস নিউজ‘এ । আজই পাঠিয়ে দিন feature.peoples@gmail.com মেইলে