=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
সার্স-কোভ-২ বা করোনাভাইরাসের সবচেয়ে সংক্রামক ধরন হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ওমিক্রনের সংক্রমণ দিন কে দিন গুরুতর রূপ নিচ্ছে যুক্তরাজ্যে। এ পর্যন্ত দেশটিতে এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ১২ জন মারা গেছেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও ১০৪ জন।
যুক্তরাজ্যের উপ প্রধানমন্ত্রী ডমিনিক রাব সোমবার দেশটির বেতার সংবাদমাধ্যম টাইমস রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা যদিও একাধিকবার বলেছেন, বর্তমানে যে হারে ব্রিটেনে ওমিক্রণ সংক্রমণ বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে সামনে বড় আকারের মানবিক বিপর্যয় অপেক্ষা করছে যুক্তরাজ্যের সামনে।
তবে এই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও আপাতত লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলে সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন উপ প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই ভাইরাসটির বিষয়ে অনেক তথ্য এখনও অজানা। আমরা কিছুটা সময় নিচ্ছি এ সম্পর্কিত আরও কিছু তথ্যের জন্য। পর্যাপ্ত তথ্য যদি আপনার হাতে থাকে, সঠিক উপায়ও তখন আসার সম্ভবনা বেশি।’
‘তার আগ পর্যন্ত আমরা আপাতত কোনো কঠোর বিধিনিষেধ প্রণয়ন করছি না।’
গত ২৪ নভেম্বর বিশ্ববাসীকে প্রথম করোনার রূপান্তরিত ধরন ওমিক্রনের তথ্য দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তার পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের ৮৯ টি দেশ শনাক্ত হয়েছে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী।
যুক্তরাজ্যে গত ২৭ নভেম্বর প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় এবং অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে পড়তে থাকে এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ১৩ ডিসেম্বর দেশটির সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্যে ‘অভূতপূর্ব’ গতিতে ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ছে এবং বর্তমানে যারা করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হচ্ছেন- তাদের প্রায় অর্ধেকই ওমিক্রনে আক্রান্ত।
সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, কিন্তু তারপরও প্রতিদিনই গড়ে ৬০ হাজারেরও বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছেন ‘করোনা পজিটিভ’ হিসেবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রোববার যুক্তরাজ্যে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৮৮৬ জন।
২০২০ সালে বৈশ্বিক মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে যে কয়েকটি দেশে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে করোনাভাইরাস, সেসবের মধ্যে যুক্তরাজ্য অন্যতম। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১ কোটি ১৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৭ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ২১৮ জন।
গত দুই বছরে করোনা মহামারি বিশ্ব থেকে কেড়ে নিয়েছে প্রায় ৫৩ লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণ, কোটি কোটি মানুষের জীবনযাপনকে করে তুলেছে বিপন্ন, কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি করেছে বিশ্ব অর্থনীতির।
সূত্র: রয়টার্স
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com