=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
হাত বা লাঠির ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে খুলনা নগরীর ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা। নগরীর ১৬টি পয়েন্টে সিগন্যাল বাতি থাকলেও ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সবই অকেজা। বাড়ছে যানজট। সঙ্গে দুর্ঘটনাও। মেট্রোপলিটন পুলিশ নতুন সিগন্যাল বাতি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও, এখনই সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন মেয়র।
প্রতিদিনই সকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে খুলনা মহানগরী। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানবাহনের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় ট্রাফিক পুলিশকে।
যানবাহন চলাচল আরও সুশৃঙ্খল করতে ১৯৮৭ সালে খুলনা নগরীর ১৬টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয় সিগন্যাল বাতি। কিন্তু সংস্কারের অভাবে একে একে নগরীর ডাকবাংলা, পিকচার প্যালেস, শিববাড়ি মোড়, পাওয়ার হাউস মোড়, ফেরিঘাটসহ সবগুলো সিগন্যাল বাতি নষ্ট হয়ে যায়। সিটি করপোরেশন সবশেষ ২০০৭ সাল পর্যন্ত সিগন্যালগুলো মেরামত, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধসহ দেখভাল করেছে। এরপর গত ১৫ বছরে সংস্কার বা নতুন করে সিগন্যাল বাতি স্থাপনের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সিগন্যাল বাতি না থাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে বেগ পেতে হয় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশকে। অনেক সময় হাতের ইশারা না মেনেই চলে যায় যানবাহন।
দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য বাচ্চু বলেন, এ মোড়ের সবকটি সিগনালই দীর্ঘ দিন ধরে অকেজো রয়েছে। এ কারণে হাতের ইশারাতেই আমাদের যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। এসব সিগনাল বাতি সচল থাকলে খুব সহজে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা যেত। এতে যানজট ও দুর্ঘটনা কম হতো।
মেট্টোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ সড়কে সিগন্যাল লাইটের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে, নতুন করে ৩৪টি পয়েন্টে সিগন্যাল লাইট স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানায় সিটি করপোরশেনকে।
খুলনা মেট্টোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমরা বেশ কয়েকবার খুলনা সিটি করপোরেশনকে চিঠি দিয়েছি। তবে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। দ্রুত এসব ট্রাফিক সংকেত বাতি সংস্কার বা নতুন বাতি স্থাপন করা জরুরি।
এ অবস্থায় আপাতত এটি সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন।
খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করে সেই আলোকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে খুলনা মহানগরীর ৫৬টি পয়েন্টে এক সাথে ১২০ জন ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করেন।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com