=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
মোঃ ফরিদুল ইসলাম: ভোলায় বাজারগুলোতে অস্বাভাবিক বেড়েছে পেঁয়াজ ও সবজির দাম। এক লাফে পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে মুরগির দামও। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২৫ টাকা পর্যন্ত। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভোলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ৫০-৬০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এই পেঁয়াজের কেজি ছিল ৩০-৩৫ টাকা।
পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন, বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। এ কারণে এখন পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এছাড়া অন্য কোনো কারণ নেই ভোলা কাঁচাবাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা মোঃ রুবেল হোসেন বলেন, গত সপ্তাহে পেঁয়াজের কেজি কিনেছি ৩০ টাকা। আজ ৫০ টাকা কেজি কিনতে হচ্ছে। এক লাফে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। শুধু পেঁয়াজ না, বাজারে এখন সব কিছুর দাম অস্বাভাবিক। চাল, তেল, চিনি, ডাল কিনতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে।
তিনি বলেন, জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমাদের মতো স্বল্পআয়ের মানুষেরা খুব কষ্টে আছেন। কিন্তু আমাদের এ কষ্ট দেখার মতো কেউ নেই। বাজারে জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে কেউ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
বাংলা বাজার ৬০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে রুহুল আমিন বলেন, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া দেখে আমরাও অবাক। দুদিনে দুই দফায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২৫ টাকা বেড়ে গেছে। গত সপ্তাহে আমরা এক কেজি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা বিক্রি করেছি। পাইকারিতে দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন সেই পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, কী কারণে এখন পেঁয়াজের দাম বাড়লো, এটার সঠিক কারণ আমাদেরও জানা নেই। তবে পাইকারি বাজারে গিয়ে শোনা যাচ্ছে, বৃষ্টিতে অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে, এ কারণে দাম বেড়েছে।
এদিকে, মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৭০-১৭৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৫০-১৫৫ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৯০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৫০-২৮০ টাকা।
মুরগির দাম বাড়ার বিষয়ে পরাণগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কিছুটা কম। এ কারণে দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়ার কারণে সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে। সামনে মুরগির দাম আরও বাড়বে বলে ধারণা করছি।
সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ছোট ফুলকপির পিস বিক্রি করছেন ৩৫-৪০ টাকা। বড় ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে দাম বাড়া ফুলকপির দামে নতুন করে কোন পরিবর্তন আসেনি।
ফুলকপির মতো দাম অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ সবজির। ফাঁকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। পুঁইশাকের ফল বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা কেজি। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৩০ টাকা। শাল গমের (ওল কপি) কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। লাউ প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। লালশাকের আঁটি ১০-১৫ টাকা, পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা।
সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কমে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৫-৭০ টাকা। গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০০ টাকা, এক সপ্তাহ আগে গাজরের কেজি ছিল ২৫-৪০ টাকা।
মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৯০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছ। শিং ও টাকি মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-৩৬০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৬৫০ টাকা। তেলাপিয়া ও পাঙাস মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৯০ টাকা।
এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকা। ছোট ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৬৫০ টাকা। নলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০-২০০ টাকা কেজি। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০০-১২০০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দামে তেমন পরিবর্তন আসেনি।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com