=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নাগরিকদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদোমির জেলেনস্কি বলেছেন, আমরা নিজেরাই দেশকে রক্ষা করবো। আজ সকালে, গতকালের মতোই দেশকে আমরা নিজেরাই রক্ষা করেছি। আর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমাদের দূর থেকে দেখছে।
শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিওবার্তায় তিনি এমন দাবি করেছেন। এ সময়ে ইউক্রেনের মিত্রদের কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি।
জেলেনস্কি বলেন, গতকালও রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের সেনাদের আমাদের মাটি থেকে প্রত্যাহারের জন্য তা যথেষ্ট না। কেবল সংহতি ও দৃঢ়তার মাধ্যমে তা অর্জন করা সম্ভব।
তিনি জানান, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের জনগণ অব্যাহত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তারা নিজেদের বীরত্ব প্রদর্শন করছেন। বিভিন্ন দিকে শত্রুদের থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। লড়াই চলছে, আমরা ক্লান্ত হবো না।
এদিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বসতে চায় রাশিয়া। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে।
রুশ সামরিক বাহিনীর ভয়াবহ হামলার পরেও তার নিন্দা কিংবা হামলাকে ‘আগ্রাসন’ বলতে অস্বীকার জানিয়েছে চীন। শি জিনপিংকে পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার বৈধ নিরাপত্তা উদ্বেগ অস্বীকার করে আসছে। বারবার তারা অঙ্গীকার লঙ্ঘন করেছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো পূর্বমুখী সামরিক সম্প্রসারণ করেছে। এতে রাশিয়ার কৌশলগত গুরুত্ব হুমকিতে পড়েছে।
তবে ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে রাজি হয়েছেন পুতিন। সংলাপের মাধ্যমে ইউক্রেন সংকটের অবসানের আহ্বান জানিয়ে আসছে চীন।
এছাড়া সবপক্ষকে ঠাণ্ডাযুদ্ধকালীন মানসিকতা ত্যাগ করে সব দেশের নিরাপত্তা উদ্বেগ, ভারসাম্যপূর্ণ, কার্যকর ও টেকসই ইউরোপীয় নিরাপত্তা কৌশল নিধারণের আহ্বান জানিয়েছেন শি জিনপিং। বিবৃতিতে তিনি বলেন, চীন সব দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার অনুরোধ জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদিমির জেলেনিস্ক। শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টকে আমি বলতে চাই—ইউক্রেনের সর্বত্র লড়াই চলছে। সাধারণের মানুষের মৃত্যু বন্ধে চলুন আমরা আলোচনায় বসি।
এসময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জেলেনস্কি বলেন, এই আগ্রাসন বন্ধে ইউরোপের শক্তিই যথেষ্ট। আমরা তাদের কাছে কী আশা করতে পারি—রাশিয়ানদের ভিসা বাতিল, সুইফট থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, রাশিয়াকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, রুশ কূটনীতিকদের প্রত্যাহার, তেল নিষেধাজ্ঞা ও বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া।
রাশিয়াকে থামাতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া যেতে বলে মন্তব্য করেন জেলেনস্কি। ইউরোপীয় নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা ঘরের বাইরে বের হয়ে যুদ্ধের বন্ধের দাবি করেন। এটি আপনাদের অধিকার। যখন কিয়েভে বোমা পড়ে, তখন তা ইউরোপেই ঘটছে। যখন ক্ষেপণাস্ত্রে আমাদের লোকজন নিহত হচ্ছেন, এটি সব ইউরোপীয়দের হত্যার শামিল।
জেলেনস্কি বলেন, এটি কেবল রাশিয়ার ইউক্রেনেই আগ্রাসন না, ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধের শুরু। এদিকে কয়েক দিনের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পতন ঘটতে পারে বলে হুঁশিয়ারি করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবর বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ধারণা হচ্ছে—বর্তমানে যেভাবে হামলা এগোচ্ছে, তাতে এক থেকে চারদিনের মধ্যে রুশ নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে কিয়েভ।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com