=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
ভারতের আলোচিত মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের আর্থিক প্রতারণার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে দেশটির এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্ট (ইডি)।
এই মামলার অন্যতম সাক্ষী দাউদের ভাই ইকবাল কাসকরের বন্ধুর ভাই খালিদ উসমান শেখকে জেরা করে ইডি কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন দাউদ প্রতি মাসে তার ভাইবোন এবং আত্মীয়দের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে পাঠান। খবর ইন্ডিয়া টুডের।
ইডির কাছে খালিদ জানিয়েছেন, তার দাদা আবদুল সামাদ এবং ইকবাল কাসকর ছোটবেলার বন্ধু। ১৯৯০ সালের ৭ ডিসেম্বর দাউদ এবং অরুণ গাওলি গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত হন সামাদ। তার দাদার মৃত্যুর খবর শুনে দাউদ তখন এসেছিলেন। তখন থেকেই দাউদের ভাই কাসকরের সঙ্গে তাদের পরিচয়। মাঝেমধ্যেই ভাই সাবিরকে নিয়ে কাসকরদের বাড়িতে যেতেন খালিদ।
খালিদ আরও বলেছেন, আমরা যখন কাসকরদের বাড়িতে দেখা করতে যেতাম, ভালো আদর-যত্ন করতেন তারা। তখন কাসকর আমাদের জানিয়েছিলেন যে, দাউদ প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে প্রত্যেক ভাইবোন এবং আত্মীয়দের পাঠান। সেই টাকা দাউদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই আসত।
ইডির তদন্তকারীরা খালিদের এই দাবির সত্যতা খতিয়ে দেখেছেন বলে খবরে বলা হয়েছে।
১৯৯৩ সালের আলোচিত মুম্বাই হামলার মূলহোতা দাউদ ইব্রাহিম মূলত মুম্বাইয়ের বাসিন্দা হলেও বেশ কয়েক দশক ধরে সপরিবারে পাকিস্তানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। যদিও সে সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানায়নি ইসলামাবাদ। ২০০৩ সালে ভারত ও জাতিসংঘ দাউদ ইব্রাহিমকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করে।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com