=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
পরীমনির জন্মদিন মানেই ঘটা করে অনুষ্ঠান এবং সেই অনুষ্ঠানে নতুন কোনো চমক। এই তো এবার জন্মদিনের আয়োজনে রাজ-পরীকে সংবাদকর্মী প্রশ্ন করেন, ‘আপনাদের সংসার জীবন কেমন লাগে?’ প্রশ্নের উত্তরে পরীমনি বলেছিলেন, ‘যদি সুখ থাকে তাহলে...।’ পরীমনির উত্তর শেষ হওয়ার আগেই শরীফুল রাজ তার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে স্ত্রীর কপালে চুমু এঁকে বললেন, ‘এমন লাগে!’
রাজ-পরীর সুখের সংসারের এমন চিত্র একটি-দুটি নয়, অনেক। তাদের দেখে সহজেই অনুমান করা যায় কতটা সুখী এই তারকা দম্পতি। কিন্তু ভেতরে যে চোরাস্রোত বইছে বাইরের কেউ জানতো না। ঘটনা সামনে আনলেন পরীমনি নিজে! কিন্তু হঠাৎ করেই কেন এই দম্পতির সুখের ঘরে দুঃখের আগুন?
গত বুধবার দিবাগত রাতে পরীমনির এক স্ট্যাটাসে এই দুঃখের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বলাবাহুল্য মুহূর্তেই সেই ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়। এরপর থেকেই পরী-ভক্তদের প্রশ্ন- কেন এই অশান্তি? কী হয়েছিল বুধবার রাতে যে কারণে ঘরের দুঃখ সবার নজরে আনলেন পরী?
বিষয়টি জানতে চাইলে পরীমনি কথা বলেননি। বোঝা যাচ্ছিল তার মন ভালো নেই। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা যায় সেদিনের রাতের ঘটনা। যে ঘটনার পরে অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে, দুঃখ পেয়ে পরীমনি ফেসবুকে মিম-রাজ ও রায়হান রাফিকে নিয়ে পোস্ট দেন। অবশ্য এ ঘটনার পর ‘দেন’ না বলে ‘দিতে বাধ্য হয়েছেন’ বলা যেতে পারে। অন্তত পরীর ভাষ্য অনুযায়ী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্বস্ত সূত্র রাইজিংবিডিকে জানান, গত ৯ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশানে কফি খেতে আসেন পরীমনি ও শরীফুল রাজ। একটি কফি শপে তারা বসেন। দুজনের চিরচেনা খুঁনসুটিতে সময় জমে ওঠে। এক পর্যায়ে বিদ্যা সিনহা মিমের জন্মদিনের প্রসঙ্গ চলে আসে। এরপরেই মুড পাল্টে যায় পরীমনির। হয়তো তিনি ব্যক্তিগত ওই সময়ে মিমের প্রসঙ্গ আলোচনায় আসুক তা চাননি। যে কারণে তিনি রেগে যান।
সেই সূত্রের মাধ্যমে আরো জানা যায়, এ সময় পরী যখন জানতে পারেন টি স্পোর্টসে ইন্টারভিউ দিতে রাজ-মিম একসঙ্গে গিয়েছিলেন, তখন তিনি মেজাজ হারান। রাজ এ সময় পরীমনিকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এ নিয়ে রাজ-পরীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে পরীমনি রাজকে রেখে একাই বাসায় চলে যান।
সূত্রের দাবি, রাজ এ ঘটনায় অত্যন্ত ব্যথিত ছিলেন এবং তাকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় দেখাচ্ছিল। এরপরেই পরীমনি রাজ এবং মিমের সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়ে ফেসবুকে আলোচিত স্ট্যাটাসটি দেন।
এর আগে ‘দামাল’ সিনেমার প্রচারে গিয়ে রাজ মিমের হাত ধরা নিয়ে পরীমনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। তখন অনেকেই মনে করেছিলেন ‘দামাল’ সিনেমার প্রচারণার জন্য তিনি এটি করছেন। কিন্তু সেই স্ট্যাটাসে যে পরী ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়’ ইঙ্গিত করছেন ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারেননি তার ভক্ত শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
এ দিকে পরীমনি-রাজের সন্তান রাজ্যকে দেখতে বাসায় গিয়েছিলেন বিদ্যা সিনহা মিম। তাদের হাস্যজ্জ্বল ছবি দেখে মনে হওয়া স্বাভাবিক এই দম্পতির সঙ্গে মিমের সর্ম্পক সহকর্মীর ঊর্ধ্বে। কিন্তু সেই সম্পর্ক এখন লোক দেখানো মনে হচ্ছে। অন্তত পরী যে অভিযোগ এনেছেন তাতে এটি পরিষ্কার।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com