=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
প্রেম-বিচ্ছেদ বা বিষণ্নতার গানে আশি ও নব্বইয়ের দশকে সংগীতাঙ্গনে মুখর কণ্ঠশিল্পী খালিদ সাইফুল্লা মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার স্ত্রী ও সন্তান নিউইয়র্কে ছিলেন। কিন্তু তাদের দেখার জন্য মরদেহ রাখা হবে না।
খালিদের দুলাভাই জানিয়েছেন, ধর্মীয়ভাবে মরদেহ ২৪ ঘণ্টা রাখার নিয়ম নেই। তাই আগামীকাল (মঙ্গলবার) সংগীতশিল্পী খালিদকে সমাহিত করা হবে। খালিদের স্ত্রী ও সন্তান নিউইয়র্কে আছেন।
এর আগে, সোমবার (১৮ মার্চ) রাতে হঠাৎ এই গুণী শিল্পীর না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার খবরে সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খালিদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে সুরকার প্রিন্স মাহমুদ জানিয়েছেন, সন্ধ্যায় বাসায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হলে তাকে কমফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক খালিদকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, ১৯৮১ সাল থেকে গানের জগতে যাত্রা সংগীতশিল্পী খালিদের। ১৯৮৩ সাল থেকে ‘চাইম’ ব্যান্ডে যোগ দেন তিনি। ছিলেন চাইম ব্যান্ডের ভোকালিস্ট হিসেবে।
তার ৫৬ বছরের জীবনে সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। প্রায় প্রতিটি গানই এখন ইউটিউবসহ অন্যান্য মাধ্যমে ফ্রিতেই শুনতে পারেন শ্রোতারা। তবে একসময় চাইমের খালিদের গলার সেই সুর শুনতে সিডি প্লেয়ার, ক্যাসেট ইত্যাদি কেনার ধুম লেগে যেত বাঙালি শ্রোতাদের।
সোনালি দিনের এই শিল্পীর হৃদয়ছোঁয়া ১০টি গানের মধ্যে আছে;
কোনো কারণেই
আবার দেখা হবে
মনে পড়ে না
সরলতার প্রতিমা
কিছু না নিয়ে
যদি হিমালয় হয়ে
হয়নি যাবার বেলা
এই জোছনা ধারায়
কিভাবে আমায় তুমি কাঁদাবে
মেঘলা ভালোবাসা
গান পাগল বাঙালির একাকী জগতে যেন বরাবরই বিরহ উস্কে দিয়েছেন আশি এবং নব্বইয়ের দশকে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া কন্ঠশিল্পী খালিদ। তবে বাংলা গানের জগতে নব্বই দশকের পর যখন ক্যাসেট আর সিডি যুগের অন্তিম মুহূর্ত চলে, তখন খালিদই তার ‘যদি হিমালয় হয়ে’ গান দিয়ে সব বাধা আর ভাঙনকে নতুন করে ভেঙে শ্রোতাকে বিরহে ভাসান। যুগে যুগে খালিদ তাই হিমালয় হয়ে মেঘলা ভালোবাসায় জোছনা ধারায় কাঁদাবে বিরহবান্ধব বাঙালিকে।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com