=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর অধীনে প্রতিষ্ঠিত নীতি যুক্তরাষ্ট্রে ‘জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব’ বাদ দেয়ার বিষয়ে তার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। স্থানীয় সময় রোববার (৮ ডিসেম্বর) এ ঘোষণা দেন তিনি।
অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের নির্বাসনের পরিকল্পনার রূপরেখাও দিয়েছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে অনথিভুক্ত বাবা-মায়ের সন্তানদের মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যেতে পারে।
এনবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে, ট্রাম্প তার চার বছরের মেয়াদে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সব ব্যক্তিদের নির্বাসনের পরিকল্পনার রূপরেখাও দিয়েছেন, যা ছিল তার রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী প্রচারণার মূল ভিত্তি।
যদিও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে ‘স্বপ্নবাজদের’ সুরক্ষার জন্য একটি চুক্তিতে সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ওই চুক্তিতে, নথিবিহীন অভিবাসীরা যারা শিশু হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন - তাদের দেশটিতে থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব কী?
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব হলো একটি আইনি নীতি, যা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব দেয় - তাদের পিতামাতার অভিবাসন স্ট্যাটাস নির্বিশেষে।
এই ধারণাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
যেখানে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা স্বাভাবিকীকৃত সব ব্যক্তি এবং এর এখতিয়ার সাপেক্ষে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যে রাজ্যে বাস করেন তার নাগরিক।’
সূত্র: এনবিসি, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, বিবিসি
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com