=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
কে এম শাকীর, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা চন্দনপাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মারুফা বেগমের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে ওই বিদ্যালয়ে দেখা গেছে ৪ শিক্ষকের মধ্যে সহকারী শিক্ষক নূর ইসলাম,জান্নাতুল ফেরদৌস ও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক জিমি আক্তার স্কুলে উপস্থিত থাকলেও প্রধান শিক্ষক মারুফা বেগম অনুপস্থিত। কি কারণে তিনি অনুপস্থিত সেটা জানেনা ৩ সহকারী শিক্ষক। সহকারী শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা প্রধান শিক্ষককে কল করে স্কুলে ডেকে নিয়ে আসেন। স্কুলে আসার পর তার সাথে কথা হলে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকার করেন। স্কুলের পুরাতন টয়লেট ভেঙ্গে ফেলে সেই স্থানে ওয়াশব্লক স্থাপন করে জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর বিভাগ। সেই পুরাতন টয়লেট ভেঙ্গে ফেলা বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কিছু জানেন না। বিধি অনুযায়ী সরকারী কোন প্রতিষ্ঠানের কোন মালামাল বিক্রি করার আগে স্কুল পরিচালনা কমিটি একটি রেজুলেশন করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট থেকে নিলাম বা দরপত্রের জন্য একটি দরপত্র আহবান করবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কিন্তু এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রধান শিক্ষক মারুফা বেগম একক সিদ্ধান্তে স্কুলের টয়লেট দুটো ভেঙে ফেলে সমস্ত ইট,পানির ট্যাংকি,পাইপ ও পানির পাম্প রাতের আধারে ভ্যানে করে তার বাড়ীতে নিয়ে যাওয়া হলেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার এখনো তার ব্যাপারে কিছু জানে না। অপরদিকে গত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা (স্লিপ) সরকারী বরাদ্দের ৭০ হাজার টাকা উত্তোলন করে বিদ্যালয়ের কোন মালামাল ক্রয় না করে সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক মারুফা বেগম। আর এসবের কোন দেখ ভালের দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসাররা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অবৈধকে বৈধতা দিয়ে থাকেন। নাম প্রকাশে কয়েকজন শিক্ষক জানান,মারুফা বেগম স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে অনিয়মকে নিয়মে রূপান্তরিত করেছেন। খবর নিয়ে দেখা গেছে স্কুলের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণী কক্ষের দুটো ফ্যান মেরামতের কথা বলে নিয়ে গেছে প্রধান শিক্ষক মারুফা বেগম। এসব অনিয়ম চলমান থাকলেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী শিক্ষা অফিসার এখনো ঘুমিয়ে আছে। গত রবিবার (১২ জানুয়ারী-২৬) দুপুরে স্কুল পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ড.মোসা. মাহমুদা খাতুন পরিদর্শন করলেও তিনি এসব বিষয়ে খবর নেয়নি। আর এসব তদারকির অভাবে গত বছরের ১১ জুন বাহাগিলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষ ভেঙে ফেলে ইট বিক্রি করে প্রধান শিক্ষক উম্মে মাহজুবা লাবনী এখনো বহাল তবিয়তে আছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসলেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের গড়িমসির কারণে তদন্ত অঙ্কুরেই বিনাশ হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মারুফা বেগম বলেন,আমার স্কুলের ইট আমি কাজে লাগাইছি। স্লিপের তথ্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে আছে সেখানে গিয়ে দেখতে পারেন এবং ফ্যান দুটো নষ্ট হয়েছিল মেকারের দোকানে দিয়ে আসছি আর নিয়ে আসি নাই।
সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টারের দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুদ্বীপ চন্দ্র শর্মার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার ড. মোসা. মামুদা খাতুনের মোবাইলে কল করা হলে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় পেয়ে কল কেটে দেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com