=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
প্রতিবেদক, কিশোর ডি কস্তা : রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা ১২ সংসদীয় আসন। এই সংসদীয় আসনের আওতায় রয়েছে, জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন,সমবায় অধিদপ্তর, কৃষি, মৎস্য, বিজি প্রেস সোহরাওয়ার্দী,পংগু,শিশু হাসপাতাল ,চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, স্কয়ার হাসপাতাল সহ অনেক প্রাইভেট হাসপাতালে, সরকারি কোয়ার্টার, সরকারি ও প্রাইভেট ব্যাংক, পাঁচ তারকা হোটেল, নামিদামি স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, ভূমি রেজিস্ট্রার অফিস, অসংখ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস, চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠান এফডিসি , কাঁচামালের ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু কাওরান রাজার, পরিবহন সেক্টরের ট্রাকস্ট্যান্ড ও শিল্পাঞ্চলের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সকল ধর্মের জনগোষ্ঠী, মসজিদ মাদ্রাসা, গীর্জা, মন্দির নিয়ে গঠিত এই ঢাকা ১২ আসন।এই আসনে রয়েছে হেভিওয়েট প্রার্থী " তিন সাইফুল "।
বিএনপি থেকে বহিস্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব ( ফুটবল), বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত প্রার্থী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক (কোদাল), ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো: সাইফুল আলম খান মিলন(দাঁড়িপাল্লা)।এই নির্বাচনী আসনে তিন প্রার্থীর ই কমবেশি অনেক জনসমর্থক রয়েছে। ঢাকা ১২ আসনের ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত পদপ্রার্থী মো: সাইফুল আলম খান মিলন ও বিএনপি সমর্থিত জোটের পদপ্রার্থী জনাব সাইফুল হকের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দীতা হবে।
সাইফুল আলম নীরব বিএনপি থেকে ধানের শীষে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে আগে থেকেই প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে শরিক দলের সাথে আসন ভাগাভাগির সমোঝোতায় দলের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে জোটের সঙ্গী হিসেবে এই আসনটিতে সমর্থন দেওয়া হয়। পরবর্তী তে বিএনপি দল থেকে অনুরোধ করলেও সাইফুল আলম নিরব দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ফলশ্রুতিতে দল থেকে বহিস্কার হন সাইফুল আলম নিরব। সে হিসেবে সাইফুল হক অনেক দেরিতে নেমেছেন প্রচার প্রচারণায়। আর এই সুযোগটা কাজে লাগাতে চেষ্টা করছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সাইফুল হক মিলন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে ভোটের লড়াই হবে এই তিন সাইফুলের মধ্যে। তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও হাতিরঝিল থানার অধীনে ফার্মগেট, ইন্দিরা রোড, রাজাবাজার সোবাহানবাগ, শেরেবাংলা নগর, মনিপুরি পাড়া,তেজকুনি পাড়া,নাখালপাড়া, বেগুনবাড়ি, গ্রীন রোড, বাংলামোটর, মগবাজার, নিউ ইস্কাটন কাওরানবাজার, তেজগাঁও এলাকায় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা এবার অনেক চিন্তা ভাবনা করে নিজেরাই প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করে প্রার্থী বেছে নিয়ে ভোট দিবেন।
প্রার্থীদের ধারণা সাইফুল আলম নীরব ও সাইফুল হক এর মধ্যে ভোট ভাগাভাগি হওয়ায় সুবিধা নিবেন জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল হক মিলন। তেজগাঁও এলাকার জনগণের ধারণা এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নিরব অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন। যেহেতু তিনি ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে আগে থেকেই নির্বাচনী মাঠে প্রচারণায় ছিলেন। তবে এখন সাইফুল হক এর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা অনেকটাই বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেকের ধারণা দুই সাইফুল এর ভোট ভাগাভাগির ফলে জামায়াত প্রার্থী সাইফুল হক মিলন এখানে বেশি ভোট পেয়ে যেতে পারেন। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেছেন ইসলামি দলগুলোর বিভক্তির কারণে ইদানিং জামায়াত অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। আর সাইফুল আলম নীরব এই এলাকায় অনেক আগে থেকে রাজনীতি করার ফলে আলাদা একটা জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে যা তাকে কিছুটা সুবিধা দিবে। সাইফুল আলম নীরব এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি এই এলাকার সন্তান এখানে আমার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। এলাকার সন্তান হিসেবে আমার চাওয়া এই এলাকার ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে এলাকার জনগণের সেবায় সুনাম এর সাথে কাজ করতে সুযোগ দিবে। এই সংসদীয় আসনে আমি নির্বাচিত হতে পারলে আমার প্রথম কাজ হবে কিশোর গ্যাং, মাদক ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা সেই সাথে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ঢাকা ১২ আসনকে একটি অত্যাধুনিক মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলবো আমি । দলের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি শহীদ জিয়ার সৈনিক মরহুম খালেদা জিয়ার সৈনিক। আমি আশা করি এলাকার ভোটাররা আমাকে ফুটবল মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। জামায়াত প্রার্থী সাইফুল হক মিলন বলেন ভোটাররা আমাকে বেছে নেবেন ও আমাকে ভোট প্রদান করবেন। তিনি বলেন ইতিমধ্যে ১০ জোটের পক্ষে গন জোয়ার তৈরি হয়েছে, আমরা ব্যাপক জনসমর্থন পাচ্ছি। মানুষ বর্তমান রাজনীতির পরিবর্তন চায়। বিএনপি জোটের প্রার্থী সাইফুল হক বলেন আমি জয়ী হতে পারলে ঢাকা ১২ আসনকে উপযুক্ত বসবাসের যোগ্য করে গড়ে তুলবো। নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন করবো।সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং ও মাদক মুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো। তিনি আরও বলেন রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করবো।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৪,২৫,২৬,২৭,৩৫ ও ৩৬ নাম্বার ওয়ার্ডের হাতিরঝিল, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা ১২ আসন। এই আসনের মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখের বেশি। ঢাকা ১২ আসনে বৈধ প্রার্থী মোট ১১ জন। তিন সাইফুল ছাড়া ও এই আসন থেকে ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আম-জনতা দলের সদস্য সচিব মো: তারেক রহমান, জাতীয়তাবাদী গনতান্ত্রিক আন্দোলনের ( এনডিএম) মমিনুল আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছা:সালমা আক্তার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মুনতাসীর মাহমুদ, গন অধিকার পরিষদের আবুল বাশার চৌধুরী, গন সংহতি আন্দোলনের তাসলিমা আক্তার, এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নাঈম হাসান।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com