=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
ইউরোপীয় ফুটবলের মঞ্চে এমন নাটকীয় ম্যাচ খুব কমই দেখা যায়। বায়ার্ন ও রিয়ালের বুধবারের (১৫ এপ্রিল) লড়াইটা শুধু “থ্রিলার” বললে কম বলা হয়—এ যেন আবেগ, ভুল, প্রত্যাবর্তন আর শেষ মুহূর্তের বিস্ফোরণের এক পূর্ণাঙ্গ গল্প।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ম্যাচ শুরুর মাত্র ৩৬ সেকেন্ডেই চমক। বায়ার্ন গোলরক্ষক ন্যায়ারের বড় ভুলে বল পেয়ে দূরপাল্লার শটে গোল করেন আরদা গুলের। শুরুতেই এগিয়ে যায় রিয়াল, দুই লেগ মিলিয়ে তখন সমতা।
তবে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় বায়ার্ন। কর্নার থেকে কিমিচের দারুণ ক্রসে হেডে গোল করে সমতা ফেরান তরুণ মিডফিল্ডার আলেকজান্ডার পাভলোভিচ। শুরুতে চাপে থাকলেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে রিয়াল। ৩০ মিনিটে গুলেরের ফ্রি-কিক থেকে আসে তার দ্বিতীয় গোল।
৩৯ মিনিটে আবার জবাব দেয় বায়ার্ন। বক্সে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন হ্যারি কেইন। কিন্তু বিরতির আগে শেষ হাসি হাসে রিয়াল। ভিনিসিউসের পাস থেকে সহজ গোল করেন এমবাপ্পে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। বেশ কিছু সুযোগ নষ্ট করে রিয়াল, বিশেষ করে এমবাপ্পের একাধিক মিস। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৮৭ মিনিটে, যখন কামাভিঙ্গা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
সুযোগটা কাজে লাগাতে দেরি করেনি বায়ার্ন। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান লুইস দিয়াজ। আর যোগ করা সময়ে নিশ্চিত জয় এনে দেন মাইকেল অলিসে, দুর্দান্ত কার্লিং শটে।
৪-৩ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে সেমিফাইনালে উঠেছে বায়ার্ন। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ পিএসজি। অন্যদিকে, আর্সেনাল গোলশূন্য ড্র করেও সেমির টিকিট পেয়েছে। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com