=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
ঈদুল আজহার আগে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের পর চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন শতাধিক রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে চরম উদ্বেগ।
সংকটাপন্ন শিশুদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের সংকট। এদিকে, নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ থাকলেও সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের পর আদ-দ্বীন হাসপাতালে এখন সুনসান নীরবতা। নতুন কোনো রোগী ভর্তি নেয়া হচ্ছে না। আর এতেই চরম বিপাকে পড়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা শত শত রোগী ও স্বজনরা।
শনিবার (১৩ জুন) পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ২৩৪ জন রোগী ভর্তি থাকলেও, রোববার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রোগী সরানোর কাজ। তবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন এনআইসিইউ ও আইসিইউতে থাকা সংকটাপন্ন শিশুরা, তাদের পরিবারও এখন দিশেহারা। অন্য কোথাও সিট না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন রোগীর স্বজনরা।
এক সদ্যজাত শিশুর বাবা বলেন, এই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে আমার সন্তানের জন্ম হয়েছে। মা ও শিশু এখানেই আছে। আমরা এই মুহূর্তে কোথায় যাব? আমরা তো মধ্যবিত্ত পরিবার। অনেক অর্থ দিয়ে স্কয়ার, ইউনাইটেড বা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারি না।
আরেক শিশুর বাবা বলেন, সরকারের প্রতি আবেদন, এদের কোনো গাফিলতি থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি হাসপাতালটাও চালু থাকলো।
আদ-দ্বীন থেকে রোগীদের স্থানান্তরের সবধরনের সহায়তার আশ্বাস দিলেও জটিলতা তৈরি হওয়ায় ক্ষোভ জানান ভুক্তভোগীরা।
এক রোগীর অভিভাবক বলেন, অন্য হাসপাতালে গেছিলাম সেখানে বললো, আগে ফ্লোরে থাকতে হবে। বেডের রোগীর ছুটি হওয়ার পর সিট পাওয়া যাবে।
অন্য আরেক রোগীর অভিভাবক বলেন, ছয়জনের জন্য ছয় হাজার রোগী মারা যেতে পারে না। এই হাসপাতালের শুধু দোষ দেখবেন কেনো? গুণও দেখেন। হাসপাতাল বন্ধ করা তো কোনো সমাধান না।
গত ৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আদ দ্বীন হাসপাতালের চরম অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। যার ধারাবাহিকতায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের কঠোর নির্দেশনা আসে।
তবে হাসপাতালের এমন পরিণতিতে সাধারণ রোগীদের কেনো ভোগান্তি পোহাতে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের বেধে দেয়া সময়ের মধ্যেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানোর কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com