=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
ভারতের হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ‘কালিমা’ ও ‘সুরা ফাতিহা’ মুখস্থ করে আবৃত্তির হোমওয়ার্ক দেওয়ার অভিযোগে এক শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর অভিভাবক ও স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদের সাঈদাবাদ এলাকার একটি বেসরকারি স্কুলে ধর্মীয় পাঠকে হোমওয়ার্ক হিসেবে দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্কুল ডায়েরিতে ‘কালিমা’ ও ‘সুরা ফাতিহা’ মুখস্থ করে পড়ার নির্দেশ লিখে দেন শিক্ষক শেখ আয়েশা পারভিন।
শিক্ষার্থীর ডায়েরির সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই শ্রেণিতে মোট ২৫ জন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে ২৪ জন মুসলিম এবং একজন হিন্দু শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, পুরো শ্রেণিকেই ‘কালিমা’ ও ‘সুরা ফাতিহা’ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
বিষয়টি জানতে পেরে ওই হিন্দু শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পরে অন্য অভিভাবকরাও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা এ ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে পুলিশি তদন্তেরও দাবি জানান।
স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষককে দেওয়া বরখাস্তপত্রে জানায়, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির অধীন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করতেও অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
হায়দরাবাদের চারমিনার জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) খারে কিরণ প্রভাকর বলেন, ঘটনাটি শিক্ষা নীতি ও স্কুলের নিজস্ব নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিষয়টি জানার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) নেতা বিনোদ বানসাল এ ঘটনাকে ‘শিশুদের সাংবিধানিক অধিকার ও অভিভাবকদের আস্থার ওপর আঘাত’ বলে মন্তব্য করেছেন। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষককে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে এ ঘটনায় আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com