=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
বিশ্বকাপ ফাইনাল শুরু হতে তখনো প্রায় এক দিন বাকি। কিন্তু নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের দৃশ্য দেখে সেটি বোঝার উপায় ছিল না। আর্জেন্টিনার পতাকা, নীল-সাদা জার্সি, ঢোল আর হাজারো মানুষের কণ্ঠে ম্যানহাটনের প্রাণকেন্দ্র যেন আগেভাগেই ফাইনালের গ্যালারিতে পরিণত হয়েছিল।
স্পেনের বিপক্ষে শিরোপার লড়াই সামনে রেখে শনিবার বিকেল থেকেই টাইমস স্কয়ারে জড়ো হতে থাকেন আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা। পরিবার, বন্ধুদের দল এবং দূরদূরান্ত থেকে আসা ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়ে একসময় পুরো এলাকা প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। সন্ধ্যায় বৃষ্টি নামলেও সরে যাননি তারা।
আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমাবেশ এত বড় হয়েছিল যে নির্ধারিত জায়গায় প্রবেশ সীমিত করতে হয় পুলিশকে। কয়েকটি অংশে নতুন কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, শুধু বের হওয়ার পথ খোলা রাখা হয়েছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর সমাবেশের কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানোও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এর প্রায় এক ঘণ্টা পর বৃষ্টি শুরু হয়। কেউ আশপাশে আশ্রয় নিলেও অধিকাংশ সমর্থক পতাকা ওড়ানো এবং গান গাওয়া চালিয়ে যান। লিওনেল মেসি ও দিয়েগো ম্যারাডোনাকে নিয়ে পরিচিত স্লোগানের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে আর্জেন্টিনার চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের আকাঙ্ক্ষা।স্পেনের কিছু সমর্থকও টাইমস স্কয়ারে উপস্থিত ছিলেন। তবে মূল সমাবেশে আর্জেন্টাইনদের সংখ্যাই ছিল অনেক বেশি। ব্যারিকেডের অন্য পাশেও শত শত সমর্থক দাঁড়িয়ে উদ্যাপনে যোগ দেন।
ভিড়ের মধ্যে অনেকের হাতে ফাইনালের টিকিট কেনার আবেদন লেখা কাগজও দেখা গেছে। বিপুল অর্থ খরচ করে নিউইয়র্কে পৌঁছালেও ম্যাচের টিকিট না পাওয়া এসব সমর্থকের শেষ আশা এখন ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে কোনোভাবে একটি আসন জোগাড় করা।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১টায় নিউ জার্সির নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শুরু হবে ফাইনাল। স্পেনকে হারিয়ে ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ ধরে রাখতে চায় আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য স্পেনের।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com