=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের আগে গ্রুপ পর্ব থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত অপরাজিত থাকা আর্জেন্টিনা শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার বলেই মনে করেছিলেন অনেকেই। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মতো জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ফুটবলারদেরও বিশ্বাস ছিল, লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আরেকটি ট্রফি জিততে পারে আলবিসেলেস্তেরা। তবে ফাইনালে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলির মতে, চ্যাম্পিয়ন স্পেনের সঙ্গে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্সের ব্যবধান ছিল ‘আকাশ-পাতাল’।
তিনি বলেন, ফাইনালের আগে প্রায় সবাই ধরে নিয়েছিলেন এই আর্জেন্টিনাকে হারানো কঠিন হবে। কিন্তু মাঠের খেলায় তারা নিজেদের সেরা ছন্দের ধারেকাছেও যেতে পারেনি।
এমিলির ভাষায়, সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনার এমন বাজে পারফরম্যান্স তিনি আগে দেখেননি। একই ধরনের মূল্যায়ন দিয়েছেন জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মণও।
তার মতে, আর্জেন্টিনার পরাজয়ে হতাশ হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তবে পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেন যেভাবে বল দখল, পজিশনিং এবং আক্রমণ-রক্ষণ দুই দিকেই আধিপত্য দেখিয়েছে, সেটিই ম্যাচের সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
পুরো টুর্নামেন্টে আত্মবিশ্বাসী ও সংগঠিত ফুটবল খেললেও ফাইনালে আর্জেন্টিনা ছিল ছন্দহীন। প্রতিপক্ষের চাপে নিজেদের স্বাভাবিক পাসিং ফুটবল খেলতে পারেনি দলটি। আসরজুড়ে উজ্জ্বল থাকা লিওনেল মেসিও শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিজের স্বাভাবিক প্রভাব রাখতে ব্যর্থ হন।
এমিলির মতে, আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল বলের দখল ধরে রাখতে না পারা।
তিনি বলেন, স্পেন এমনভাবে প্রেসিং করেছে যে আর্জেন্টিনা কোনোভাবেই নিজেদের পায়ে বল রাখতে পারেনি। একটি দলকে সফল হতে হলে শুধু নিজেরা বল ধরে রাখলেই হয় না, প্রতিপক্ষকে সেটি করতে না দেয়াও গুরুত্বপূর্ণ। আর স্পেন ঠিক সেটিই করেছে।
অন্যদিকে তপু বর্মণের বিশ্লেষণে, আর্জেন্টিনার ডান প্রান্তের রক্ষণভাগ সবচেয়ে বেশি দুর্বল ছিল। তার মতে, নাহুয়েল মোলিনা ও গঞ্জালো মন্টিয়েলের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও মোলিনার ভুলে গোল হজম করতে হয়েছিল। ফাইনালেও সহজ একটি পরিস্থিতিতে তিনি না প্রতিপক্ষকে সামলাতে পেরেছেন, না নিরাপদে বল ক্লিয়ার করতে পেরেছেন। এমন ভুলই শেষ পর্যন্ত দলকে চাপে ফেলে দিয়েছে বলে মনে করেন এই ডিফেন্ডার।
ফাইনালে হারের পরও ব্যক্তিগত পুরস্কারের ক্ষেত্রে লিওনেল মেসিকে এগিয়ে রাখছেন এমিলি।
তার দাবি, গোল্ডেন বলের ক্ষেত্রে মেসির সঙ্গে অন্যায় করেছে ফিফা। টুর্নামেন্টজুড়ে, বিশেষ করে ফাইনালের আগ পর্যন্ত মেসি যেভাবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তাতে এই পুরস্কার তারই প্রাপ্য ছিল বলে মনে করেন তিনি।
এমিলির ভাষায়, অনেক সময় সেমিফাইনাল পর্যন্ত পারফরম্যান্সই একজন ফুটবলারকে গোল্ডেন বলের দাবিদার করে তোলে। সেই বিবেচনায় মেসিই ছিলেন সবচেয়ে যোগ্য।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com