=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোপালঝাড় বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গোপনে দুটি পদে কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার দাবি উঠেছে, যেখানে কোন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির তৎকালীন সভাপতি চাকরির নামে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। তবে প্রধান শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক করে জালিয়াতি করা হয়েছে।
শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব আইডি ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন-ভাতার বিল পাঠানো হয়েছে। গোপালঝাড় বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত, বর্তমানে এখানে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। বিদ্যালয়ে ১৬ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী কাজ করছেন।
অভিযোগ উঠেছে, গত আগস্ট থেকে অফিস সহায়ক ও নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগের জন্য তিনবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। অবশেষে জাহিদুল ইসলামকে অফিস সহায়ক ও সবুজ ইসলামকে নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত জাহিদুল ইসলাম চাকরি পেতে টাকা লেনদেনের বিষয়টি স্বীকার করেন। কিন্তু সবুজ ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য বজলুর রহমান বলেন, “আমরা পূর্ববর্তী নিয়োগগুলোর সম্পর্কে জানতাম, কিন্তু এই দুটি নিয়োগের বিষয়ে একটিও অবহিত করা হয়নি। স্বাক্ষর ছাড়া কীভাবে নিয়োগ দেওয়া হলো, তা বুঝতে পারছি না।”
স্থানীয় সূত্রের দাবি, গোপালঝাড় গ্রামের মো. আলমগীর বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে চাকরি পাওয়ার আশায় জমি বিক্রি করেছেন। যদিও পরে অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া হলে বিষয়টি জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণা প্রমাণিত হয়। আলমগীর বলেন, “আমাকে নিশ্চিত করা হয়েছিল চাকরি আমারই হবে, কিন্তু পরে জানতে পারি অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সমাজের মানুষ জানিয়েছেন, নিয়োগের নামে অর্থ লেনদেন ও অনিয়মের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করতে হবে।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com