=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শেখ মুজিবুর রহমানের নামে কোনো হল থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মূল স্লোগান ছিল ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’। ফ্যাসিবাদের আইকন শেখ মুজিবের সব মূর্তি ও ম্যুরাল ছাত্র-জনতা ঘৃণাভরে অপসারণ করেছে। ইতিহাসে শেখ মুজিবের স্থান বাকশালি ও ফ্যাসিস্ট হিসেবেই নির্ধারিত হয়েছে। আবার কেউ ফ্যাসিবাদের জায়গায় ফিরে যেতে চাইলে তার পরিণতিও সুখকর হবে না।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামফলকটি সরিয়ে আগের নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখাসংবলিত নামফলকটিই পুনরায় স্থাপন করার প্রক্রিয়া নিয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
এশিয়া পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামকরণের প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। ডাকসু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্তে এটি করা হয়েছিল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের মূল প্রবেশদ্বার থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামফলকটি সরিয়ে আগের নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখাসংবলিত নামফলকটিই পুনরায় স্থাপন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নামফলক পরিবর্তন ও পুনর্স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’।এছাড়াও, হলের নাম পরিবর্তন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনীম জুমা। এশিয়া পোস্টকে তিনি বলেন, ওসমান হাদির নামে হলটির নামকরণ কিংবা পরবর্তীতে তা মুছে আগের নামে ফিরে যাওয়া, কোনোটিই আমাদের সিদ্ধান্তে হয়নি। তবে কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল নতুন ঘোষিত চারটি হলের যে কোনো একটি শহীদ হাদির নামে করা। তাহলে এই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির অবতারণা হতো না।
এর আগে বুধবার দুপুর ২টার দিকে হলের প্রবেশদ্বার থেকে পরিবর্তন করা ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামফলকটি অপসারণের কাজ শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান। পোস্টে তিনি লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হলের সামনে এসে অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে যায় হল চিনতে। আজ থেকে আর সেই বিভ্রান্তি থাকবে না। আগের নামটি ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, হল প্রশাসনের প্রত্যক্ষ নির্দেশেই নামফলক সরানোর এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে ফোনে তাৎক্ষণিক কোনো মতামত দেননি হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। অফিসে গিয়ে সরেজমিনে যোগাযোগ করার কথা জানান তিনি।
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com