=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
মসজিদে নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি শব্দে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতের উত্তর প্রদেশে এক মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মোহাম্মদ ফাইজান নামে ওই মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে তাকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিজনোর জেলাযর নাজিবাবাদের মকবারা এলাকার একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন মোহাম্মদ ফাইজান। শনিবার এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সুপার কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোই আজানের শব্দ শুনে স্থানীয় পুলিশকে মসজিদটি পরিদর্শনের নির্দেশ দেন।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার দুপুর প্রায় ১২টা ৪০ মিনিটে। ওই সময় নাজিবাবাদের সরকারি ইন্টার কলেজের কাছে অবস্থিত নাজিব-উদ-দৌলা মসজিদে জোহরের আজান দেওয়া হচ্ছিল।
পুলিশ মসজিদে প্রবেশ করে একটি লাউড স্পিকার জব্দ করে। পুলিশের অভিযোগ, লাউড স্পিকারের শব্দ নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি ছিল। পরে উপপরিদর্শক সৌরভ সিংয়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ফাইজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে মহকুমা শাসকের (এসডিএম) আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায়।
পুলিশের অভিযোগে বলা হয়, লাউড স্পিকারটি মসজিদের ভেতরে এমনভাবে রাখা হয়েছিল, যাতে বাইরে থেকে সেটি দেখা না যায়। অতিরিক্ত শব্দে বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও অসুস্থ মানুষের ক্ষতি হতে পারে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
তবে মসজিদে শব্দের মাত্রা কত ডেসিবেল ছিল, তা পুলিশ জানায়নি। লাউড স্পিকার জব্দ এবং মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তারের আগে ডেসিবেল মিটারের সাহায্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শব্দের মাত্রা পরিমাপ করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
পুলিশের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন নাজিবাবাদ শহরের কাজি আফান-উল-হক। তার মতে, ফাইজানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর পরিবর্তে সতর্ক করেই ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল।
পুলিশ সুপার বিষ্ণোই বলেন, ধর্মীয় স্থানগুলোতে নির্ধারিত শব্দসীমা অতিক্রম করে লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। ধর্মীয় নেতাদের এ বিষয়ে আগেই সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পাশাপাশি, নিজ নিজ এলাকার শব্দদূষণবিধি মেনে চলা হচ্ছে—এই মর্মে বিট কনস্টেবলদের কাছ থেকে হলফনামা সংগ্রহের জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বিট কনস্টেবল—উভয়ের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন বিষ্ণোই।
গত মাসেও বিজনোর জেলা প্রশাসন ধর্মীয় স্থানগুলোতে অনুমোদিত সীমার বেশি শব্দে লাউড স্পিকার ব্যবহারের অভিযোগে অভিযান চালায়। ওই অভিযানে মসজিদ, মন্দির ও গুরুদুয়ারা থেকে লাউড স্পিকার সরিয়ে নেওয়া হয়।
উত্তর প্রদেশে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণবিধি কার্যকরের অংশ হিসেবে ধর্মীয় স্থানে লাউড স্পিকার ব্যবহারের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনিক নজরদারির আওতায় রয়েছে।
২০২০ সালের মে মাসে এলাহাবাদ হাইকোর্ট এক রায়ে বলেন, আজান দেওয়া ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারের আওতায় পড়লেও লাউড স্পিকারের মাধ্যমে আজান সম্প্রচার ওই অধিকারের অপরিহার্য অংশ নয়। আদালত আরো বলেন, লিখিত অনুমতি ছাড়া ধর্মীয় স্থানে লাউড স্পিকার বা জনসমক্ষে শব্দ সম্প্রচারের যন্ত্র ব্যবহার করা যায় না।
সূত্র: মাকতুব মিডিয়া
যোগাযোগ :
বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, রোড-৭/এ,
ব্লক-বি, বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-১২১২
সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমা সুলতানা নীলা
মোবাইল: ০১৬২২৩৯৩৯৩৯
ইমেইল: nazmaneela@gmail.com