• আজ ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কুলিয়ারচরের ফরিদপুর ইউপির উদ্যোগে শোক দিবসে আলোচনা সভা-দোয়া মাহফিল

কুলিয়ারচর ফরিদপুর ইউনিয়ন

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, মোঃ মাইন উদ্দিন: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৫ আগস্ট) বিকাল ৪টায় ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহ্ আলম এর সভাপতিত্বে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের ১নং সদস্য মোঃ আলমগীর হোসেন ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ জিল্লুর রহমান জিলন, উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মুক্তিমামুদ খোকা, সদস্য মোঃ দেওয়ান আলী, মোঃ রেফায়েত উল্লাহ, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, কুলিয়ারচর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল-আমীন ভূঁইয়া টিংকু, ফরিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুর রহমান মুছা, ফরিদপুর ইউনিয়ন আবদুল হামিদ ভূঞা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, ফরিদপুর ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম লিটন, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ হেদায়েত উল্লাহ, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আবু তাহের মিয়া ও ফরিদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন, যুবলীগ নেতা মোঃ আবুল বাসার, যুবলীগ নেতা মোঃ নুরুল ইসলাম নুর মিয়া ও যুবলীগ নেতা মোঃ রুবেল হোসেন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মুক্তি মামুদ খোকা বলেন, আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালো রাতে সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। আজ থেকে ৪৬ বছর আগে এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে শুধু খন্দকার মোশতাকই জড়িত ছিলনা, আরও অনেক জড়িত ছিল।

এসময় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কেমন আওয়ামী লীগ, আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে ফরিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো অনুষ্ঠান হয়নি। এতে আমি মনে করি আমাদের মাঝে খন্দকার মোশতাক আহাম্মদের প্রেতাত্মারা এখনও রয়ে গেছে। তা না হলে এমন হতো না। এখানে যেই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল হচ্ছে এটা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ হলো স্থানীয় সরকারের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে আমার কাছে মনে হচ্ছে ফরিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দগন বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ করে না। তারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ করলে আজ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে কেউ তাকে স্বরণ করেনি কেন?

তিনি আরও বলেন, এখনও সময় আছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগে ফিরে আসুন, তা না হলে কিন্তু ভবিষ্যতে আমাদের মুসলিম লীগের মতো হতে হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ১নং সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আলমগীর হোসেন ভূইয়াও একই কথা বলেন। তিনিও এ ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করেন।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমীন ভূঁইয়া টিংকুও জাতির পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে ফরিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো অনুষ্ঠানসূচী না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি ফরিদপুর ইউনিয়নের প্রবীন আওয়ামী লীগদের কর্মকাণ্ডের কথা স্বরণ করিয়ে দিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

পিএন/এফএইচপি

, ,

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন পিপলস নিউজ‘এ । আজই পাঠিয়ে দিন feature.peoples@gmail.com মেইলে