• আজ ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
পিপলস শিরোনাম
 অবশেষে নিখোঁজ সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার, বেঁচে নেই ৫৩ নাবিক | তালিকা পাঠান, নিজেরাই জেলে যাব: হেফাজতে আমির | প্রকৌশলী রাসেল সড়ক দুর্ঘটনায় নি’হ’ত,প্রাক্তন ছাত্র সমিতির শোক। | হাটহাজারীতে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক | মোদিবিরোধী বিক্ষোভ তামিলনাড়ুতে, আটক ৬০ | ভাড়া দ্বিগুণ, অধিকাংশ গণপরিবহনই সামাজিক দূরত্ব মানছে না | স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে কলঙ্কিত করতে হেফাজতের নাশকতা : বেনজীর | রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির চার নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা | নির্বাচন ও আন্দোলনে ব্যর্থতার জন্য বিএনপি নেতাদের ‘টপ টু বটম’ পদত্যাগ করা উচিত : কাদের | বাংলাদেশের মানবাধিকারের বিভিন্ন ইস্যুতে কড়া সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র |

বিশ্বজুড়ে সবার শীর্ষে সেক্স টয়

করোনাভাইরাস মহামারিতে ক্ষতি হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। তবে অনলাইনে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং শারীরিক চাহিদা পূরণের সরঞ্জামের কাটতি বেশ বেড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোতে শারীরিক চাহিদা পূরণের সরঞ্জাম বা সেক্স টয় প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো বেশ ফুলে ফেঁপে উঠেছে। খবর ইয়াহু নিউজের।

লকডাউনের কারণে সামাজিক দূরত্ব এবং ভালোবাসার মানুষদের সঙ্গে দীর্ঘ বিরতির কারণে পশ্চিমা দেশে এসব সরঞ্জামের ব্যাপক ব্যবহার বেড়েছে।

এ ধরনের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক একটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ওয়াও। বার্লিন ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি বলছে, গত বছর বিশ্বজুড়ে তাদের বিক্রি তিনগুণ বেড়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ‘ওমেনাইজার’র কাছে তাদের পণ্যের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। নিজেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেলের ৪০ লাখ পণ্য কিনেছে ওমেনাইজার।

বিক্রি বেড়েছে অন্যান্য কোম্পানিরও। সুইডেন ভিত্তিক এ ধরনের একটি কোম্পানি হচ্ছে লেলো। তারা বলছে, লকডাউনের কারণে তাদের দোকানপাট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ২০২০ সালে বিক্রি বেড়েছে ১০ শতাংশ। সামনের বছরগুলোতে এ ধরনের সরঞ্জামের বিক্রি আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে স্ট্যাটিস্টা।

জার্মানি ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৯ সালে ২০২৬ সালের মধ্যে সেক্স টয়ের বৈশ্বিক বাজার প্রায় দ্বিগুণ হবে। এসময়ের মধ্যে এই বাজার ২৮.৬ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৫২.৭ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে স্ট্যাটিস্টা।

ব্রিটিশ মার্কেট গবেষণা প্রতিষ্ঠান কান্টারের মার্কেট গবেষক ক্রিস্টোফ ম্যানসিয়াও বলেছেন, লকডাউনের বিরক্তি থেকেই যে এমনটা ঘটেছে, সেটা বলা যাবে না। বরং পুরো সমাজের ‘ পর্নোআইজেশন’ ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা এএফপি’কে তিনি বলেন, পাশ্চাত্য সমাজ এমন একটা সময়ে পৌঁছেছে যেখানে যৌন স্বাস্থ্য সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। এখন আর সেক্স টয় কেনা কোনোভাবেই নিষিদ্ধ কিছু নয় বরং এর বিপরীতটাই ঘটছে।

যৌন ইতিহাসবিদ ভার্জিন গিরোড বলেছেন, সেক্স টয়কে ‘পুরোপুরি গণতান্ত্রিক’ করা হচ্ছে।

পিএন/এএজি

, ,

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন পিপলস নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - feature.peoples@gmail.com