• আজ ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
পিপলস শিরোনাম
 আসচ্ছে চমক! দেশে সংবাদ পাঠে প্রথম ট্রান্সজেন্ডার নারী | ‘কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য এই সরকারকে এখনই অপসারণ করতে হবে’ | পিপলস নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর সেই ‘মৃত শিক্ষক’ করলেন ভ্যাকসিনের নিবন্ধন | কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করা হবে: আইনমন্ত্রী | ক্ষমতা থেকে শেখ হাসিনাকে সরানোর জন্য আরেকটি যুদ্ধ দরকার : আমান | টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী | দ্বিতীয় ডোজ টিকা : ১৫ মিনিটেই জ্ঞান হারিয়ে মৃত প্রৌঢ়, কারণ অজানা | প্রেসক্লাবে যুবদলের বিক্ষোভ ঘিরে রেখেছে পুলিশ | করোনা ভাইরাস ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৬১৯ | মাদরাসায় বেদ-গীতা-রামায়ণ পড়ানোর প্রস্তাব |

গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়েছেন জামাই

গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়েছেন এক ব্যক্তি। ইংল্যান্ডের গ্লস্টারশায়ারে এমন ঘটনা ঘটেছে। গর্ভবতী হওয়ার পর সন্তান ও স্বামী রায়ান শেল্টনকে নিয়ে মায়ের বাসায় চলে আসেন ২৪ বছর বয়সী জেস অলড্রিজ।

বেশ ভালই কাটছিল তাদের। জেসের মা ৪৪ বছর বয়সী জর্জিনা মেয়ে-জামাইয়ের খুব খেয়াল রাখতেন। জেসের দাবি, সময় যত এগিয়েছে তার তুলনায় স্বামী রায়ানের বেশি খেয়াল রাখতে শুরু করেন তার মা।

শুধু তাই নয়, তাদের দুই জনের মধ্যে সম্পর্কের রসায়ন বেশ জমজমাট থাকতো। যেটা একটুই ভালো ভাবে নেননি জেস। কিন্তু জেসের অজান্তে তার মায়ের সঙ্গে রায়ানের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

যতদিন গেছে তার মায়ের আচরণে অদ্ভুত একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন বলে দাবি করেন জেস। কিন্তু তার মা যে রায়ানের মধ্যে সম্পর্কে জড়িয়েছেন সেটা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি জেস। এদিকে জেসের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় হয়ে আসছিল।

পরে হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেয়ার পরই জেসকে ম্যাসেজ পাঠান রায়ান। সেখানে জেসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের কথা বলেন রায়ান। কিন্তু রায়ান হঠাৎ করে কেন এটা করতে চাইছে তা বুঝে উঠতে পারেননি জেস।

তবে বাড়ি ফেরার পরই বিষয়টা পরিষ্কার হয়। হাসপাতাল থেকে সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে দেখেন মা এবং রায়ান নেই। কোথাও হয়তো গেছেন এটা ভেবে অপেক্ষা করতে থাকেন জেস।

কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও কেউই আর ফিরে আসেননি। তখন সন্দেহ বাড়তে শুরু করে জেসের। যেটা সন্দেহ করেছিলেন ঠিক সেটাই ঘটে। মাকে ফোন করেন জেস। তখন জর্জিনা নিজেই পুরো বিষয় মেয়েকে জানান।

রায়ানের সঙ্গে তিনি সংসার শুরু করেছেন এবং ভালো আছেন বলে জানান। এমনকি নতুন বাড়িতে উঠেছেন তারা এবং সেখানেই দুইজনে থাকবেন।

রায়ানও একই কথা জানিয়ে দেন জেসকে। স্বামী এবং মায়ের এই কীর্তিতে ভেঙে পড়েন জেস। জেস বলেন, অবিশ্বাস্য! ভয়ানক অভিজ্ঞতা। দুই জনে যে এমন কাণ্ড করবে ভাবতেও লজ্জা লাগছে। দুই সন্তানকে এখন লালন-পালন করবেন তা ভেবেই অস্থির জেস।

পিএন/এএজি

, , ,

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন পিপলস নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - feature.peoples@gmail.com