ঢাকা, ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে বন্যার পানি বৃদ্ধি;বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২০ ১১:৪০ অপরাহ্ণ  

| খায়রুল খন্দকার, টাঙ্গাইল

খায়রুল খন্দকার, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলে বন্যার পানি ২য় বারে মত বৃদ্ধি পেয়ে চরঞ্চলসহ সহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত।
প্রথম বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর পানি আবারো নতুন করে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে নতুন করে যমুনা চরাঞ্চলসহ তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে শত শত হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দিশেহারা কৃষক।

জেলার ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা, গাবসারা, গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের যমুনা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু হয়েছে। বেশ কিছু এলাকা ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক শত পরিবার। এছাড়া উপজেলার গোবিন্দাসী, গাবসারা, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া, ও খানুরবাড়ি এলাকায় নতুন করে দেখা দিয়েছে ভাঙন। দ্বিতীয় দফায় ভাঙন শুরু হওয়ায় দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ।

ভাঙন কবলিত এবং পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন শুরু করেছেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) অাসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসন ও পানিবন্দি এলাকার নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জসিম উদ্দিন জানান, গত কয়েক বছর ধরে যমুনার পূর্বপাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। শতশত একর ফসলি জমি, হাট-বাজার, মসজিদ-মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাজার হাজার ঘর-বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখনো বর্ষা অাসলেই শুরু হয় তীব্র ভাঙন। এবছর বর্ষার প্রথম থেকেই শুরু হয়েছে ভাঙন দ্বিতীয় দফায় পানি বৃদ্ধি শুরু হওয়ায় নদী ভাঙন তীব্র অাকার ধারন করেছে। এখন আমাদের আর কিছুই রইলোনা।

স্হানীয় আশি বছরের এক বৃদ্ধ জুবায়ের বলেন, আমরা সরকারের কাছে কোন প্রকার ত্রাণ চাইনা। যমুনার পূর্বপাড়ে স্থায়ী গাইডবাঁধ চাই। প্রতি বছর ভাঙন শুরু হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা যমুনা পূর্বপাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। কিন্তু বর্ষা চলে গেলে সেটির আর কোন কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে পাইনা। এখন পর্যন্তও ভাঙন প্রতিরোধে কোন উদ্যোগ নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট অাব্দুল হালিম বলেন, ইতিমধ্যে বন্যা কবলিতদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ত্রাণ সামগ্রী ও সহযোগীতা শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার বন্যা কবলিত বানিবন্দি মানুষের মধ্যে সরকারের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রীসহ শিশু খাদ্য বিতরন করা হবে।

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস ও মতামত কলামে লিখতে পারেন আপনিও – Peoplesnews24.com@gmail.com ইমেইল করুন  

সর্বশেষ

জনপ্রিয় সংবাদ