ঢাকা, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শ্রীনগরে বন্যায় ভাগ্যকুল-দোহার সড়ক লন্ডভন্ড

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২০ ৭:৫২ অপরাহ্ণ  

| ফারুক খাঁন, শ্রীনগর (মুন্সিগঞ্জ)

বন্যায় পানির তোরে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে শ্রীনগর-দোহার সড়ক। বন্যায় প্লাবিত এই সড়কের শ্রীনগরের বিভন্ন অংশে তীব্র ¯্রােতে ভেঙেচূড়ে একাকার হয়ে গেছে। বন্যার পানি নামতে থাকলে সড়কের ভাঙাচূড়া অংশগুলো ভেসে উঠেছে। উপজেলার জুশুরগাঁও, মাশুরগাঁও, শ্যামসিদ্ধি, কয়কীর্ত্তণ, রাঢ়ীখাল, ভাগ্যকুল ও বাঘড়া এলাকায় সড়কের প্রায় অর্ধেকটাই বন্যার পানির তোড়ে বিলিন হয়ে গেছে। এমনটাই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই অবস্থায় হালকা যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও প্রশাসনের নির্দেশক্রমে ভাড়ি যানবাহন সড়কে চলাচল বন্ধ রয়েছে।এছাড়াও বন্যায় প্লাবিত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক কাঁচা পাকা সংযোগ রাস্তা ভেভেচূড়ে বেহাল হয়ে পরার খবর পাওয়া গেছে। বন্যার পানি দ্রæত নামতে থাকলেও এসব ভাঙাচূড়া রাস্তায় চলাফেরায় মানুষের ভোগান্তী বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কে ভাড়ি যানবাহন চলাচলের নিষেধাজ্ঞায় কয়েকস্থানে কতৃপক্ষে সাইবোর্ড সাটানো দেখতে পাওয়া গেছে। সড়কের পাটাভোগ এলাকার জশুরগাঁও, মাশুরগাঁও, শ্যামসিদ্ধির কয়কীর্ত্তণ, রাঢ়ীখালের দামলা, তিন দোকান, ভাগ্যকুল ও বাঘড়া এলাকার মধ্যবর্তী আল-আমিন বাজার সংলগ্ন স্থানে আন্তঃসড়কটির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। লক্ষ্য করা গেছে, সড়কের শ্রীনগর অংশে পূর্ব ও পশ্চিম সড়কের অবস্থান হিসেব অনুযায়ী সড়কের উত্তর পাশেই ক্ষতির পরিমান বেশী। অথাৎ বন্যার পানি ফুলে ফেপে দক্ষিন পাশ থেকে সড়ক উপচে উত্তর পাশে পরে। বেশ কয়েকদিন সড়কের ওপর দিয়ে প্রবল পানির ¯্রােত প্রবাহমান থাকায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশাল বিশাল ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে।

এতে করে সড়কের কোথাও কোথাও পুকুরে পরিনত হয়েছে। অপরদিকে সড়কের পাশে বসতিরাও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেকের কাঁচা পাকা ঘরবাড়ি ভেঙে ও দেবে গেছে। এ সময় লক্ষ্য করা গেছে, এখনও সড়কের দক্ষিন পাশে পানির স্তর সড়কের উত্তর পাশের পানির স্তরের তুলনায় অনেকাংশেই বেশী। অন্যদিকে এর আগে একই সড়কের কামারগাঁও বাজার থেকে আল-আমিন বাজার পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজ না হওয়ায় এখানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে। কারণ হিসেবে জানা যায়, সড়কের এখাধিক বাক সরলীকরণের জন্য জমি অধিগ্রহন না হওয়ায় স্থানীয় বসতিরা কাজে আপত্তি জানায়। এ কারণে সড়কের ১ কিলোমিটার রাস্তা আর সংস্কার কাজ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।

স্থানীয়রা বলেন, বন্যায় সড়কটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই অবস্থায় যানবাহন চলাচলে ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কর্তৃপক্ষ ভাড়ি যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে করে এই রুটে যাত্রীবাহী বাসগুলো ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন পুরাতন ফেরীঘাটের মাশুরগাঁও থেকে ঢাকায় যাচ্ছে। এতে করে বাঘড়া, ভাগ্যকুল, রাঢ়ীখাল, শ্যামসিদ্ধিসহ বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার যাত্রীর যাতায়াতে দুর্ভোগ বেড়েছে। কয়েকটি উপজেলার সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রæত সড়কের সংস্কার কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা। এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেনি।

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস ও মতামত কলামে লিখতে পারেন আপনিও – Peoplesnews24.com@gmail.com ইমেইল করুন  

সর্বশেষ

জনপ্রিয় সংবাদ