=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্তঃসত্ত্বা দাবি তামিমার, পিতৃপরিচয় নিয়ে শঙ্কা

| নিউজ রুম এডিটর ৭:০২ অপরাহ্ণ | ২০/১২/২০২১ জাতীয়

আইনসম্মতভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ের মামলায় জামিন পেয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। এ মামলায় আরও জামিন পেয়েছেন নাসিরের স্ত্রী বিমানবালা তামিমা সুলতানা তাম্মীসহ আরো দুজন।

তবে মামলার শুনানিতে তাম্মি দাবি করেছেন, আমি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা, আমার গর্ভে থাকা সন্তান নাসির হোসেনের ঔরসজাত সন্তান।

তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আজ যদি এই বিয়ের বৈধতা না দেওয়া হয়, তাহলে আমার অনাগত সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এই নিষ্পাপ শিশু পৃথিবীর আলো দেখার পর তার দিকে সমাজ আঙুল তুলবে।

তামিমা তার অন্তঃসত্ত্বার প্রমাণ হিসেবে কিছু মেডিকেল রিপোর্টের কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করেন। তবে আদালত এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেখতে বা শুনতে রাজি হয়নি।

সোমবার শুনানি শেষে ঢাকার অ্যাডিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন তাদের জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসানের করা মামলায় জামিন পেলেন তারা।

অন্যদিকে নাসির মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। আদালত তার আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

এর আগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) রাকিব অভিযোগপত্র দিলে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে আদালতে হাজির হতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সমন জারি করেছিলেন আদালত।

পিবিআইয়ের রিপোর্টে অবৈধ প্রক্রিয়ায় নাসির-তামিমা বিয়ে করেছেন বলে জানানো হয়।

নাসির-তামিমাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।

এরপর মামলার বাদী রাকিবের পক্ষে তার আইনজীবী ইশরাত জাহান তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। আদালত তাদের ৩১ অক্টোবর আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন।

গত ৩১ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে বাদীর করা মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকাবস্থায় নাসির বিয়ে করেছেন তামিমা, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নাসির নিজের কাছে নিয়ে গেছেন। তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সি শিশুকন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। আসামিদের এ ধরনের কার্যকলাপে রাকিবের চরম মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।