• আজ ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক |

১০ বছর পর ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি যুবক

| নিউজ রুম এডিটর ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ | ১১/০৪/২০২৫ আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ

 

 

ইসরাইলি কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) মুক্তি পেয়েছেন ফিলিস্তিনি বন্দি আহমেদ মানাসরা। দীর্ঘ ১০ বছর কারাবাসের পর মুক্তি পেলেন তিনি। তাকে নাফা কারাগারে রাখা হয়েছিল।

ডেইলি সিয়াসাতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ তাকে কারাগার থেকে অনেক দূরে ছেড়ে দেন, কিন্তু তার পরিবার তাকে স্বাগত জানাতে গেটে অপেক্ষা করছিলেন। বেয়ারশেবার এক ফিলিস্তিনি আহমেদকে খুঁজে পেয়ে তার পরিবারকে ফোন করে তার খবর দেন।

 

আহমেদের জন্ম ২০০২ সালের ২২ জানুয়ারি জেরুজালেমে। দুই ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে তিনি বড়। ২০১৪ সালে যখন তাকে গ্রেফতার করা হয়, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। সে সময় তিনি জেরুজালেমের নিউজেনারেশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়তেন।

ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, আহমেদ ও তার চাচাতো ভাই হাসান ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করেছিলেন। গ্রেফতারের সময় সেনারা দুজনকেই গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই হাসান মারা যান এবং আহত হন আহমেদ।

সে সময়ের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, আহত অবস্থায় আহমেদ মাটিতে কাঁদছেন এবং সেনারা তাকে চেপে ধরেছেন। সে সময় ফুটেজটি বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে।

গ্রেফতারের পর আহমেদকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তবে পরে তা কমিয়ে সাড়ে ৯ বছর করা হয়। সেইসঙ্গে ৪৭ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি জরিমানা করা হয় তাকে, যা দিতে হিমশিম খেয়েছে তার পরিবার।

কারাগার কঠোর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন আহমেদ। ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের মারধরে মাথার খুলি ভেঙে যায় তার।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আহমেদকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্জন কারাগারে রাখা হয়। যা তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তার স্কিজোফ্রেনিয়া এবং তীব্র বিষণ্ণতা ধরা পড়ে।