=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করায় ফাহাম আব্দুস সালামের আবেগঘন স্ট্যাটাস

| নিউজ রুম এডিটর ৯:৫০ অপরাহ্ণ | ২২/০৮/২০২৬ অন্যান্য

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রজ্ঞাপন জারি করার পর তাকে নিয়ে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ও গবেষক ড. ফাহাম আব্দুস সালাম। তিনি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষ পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সততা, দায়িত্বশীলতা ও ত্যাগের নানা দিক তুলে ধরেন।

পোস্টে ফাহাম আব্দুস সালাম লেখেন, দীর্ঘ ২২ বছর ধরে খুব কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতায় মির্জা ফখরুলকে একটি যৌথ পরিবারের দায়িত্বশীল ‘বড় ছেলে’র সঙ্গে তুলনা করা যায়। নিজের সুখ-স্বার্থ ত্যাগ করে তিনি অনুজদের বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই আনন্দ খুঁজে পান। তার কর্মস্পৃহা এবং ভদ্র আচরণই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তিনি এমন একজন বড় ভাই, যিনি ৭ ভাইবোনের জন্য ৬টি চকলেট পেলে নিজে একটিও না নিয়ে সবাইকে দিয়ে খুশি থাকেন।

তৃণমূল ও দেশবাসীর প্রতি তার নিবেদনের কথা স্মরণ করে পোস্টে বলা হয়, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার আনুগত্য ছিল অতুলনীয়। বেগম জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে তিনি জীবনের মূল দায়িত্ব হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর সিঙ্গাপুরে এক একান্ত কথোপকথনে মির্জা ফখরুল তাকে বলেছিলেন, ম্যাডামকে মুক্ত করতে পারা এবং নির্বাচন দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার মাধ্যমেই তার জীবনের মূল কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি সন্তুষ্ট। বহুবার তিনি বেগম জিয়াকে দ্রুত মুক্ত করতে না পারাকে নিজের ব্যর্থতা হিসেবে মেনে নিয়েছেন।

ফাহাম আরও লেখেন, বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক নেতার পক্ষে মির্জা ফখরুলের মতো একজন অনুগত সহযোদ্ধা পাওয়া অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়, যিনি নিজের ভালো-মন্দ সময়ে নেতার কথা সবার আগে ভাবেন। তবে তিনি নিশ্চিত নন যে তারেক রহমান এমন একজন ‘সাহাবি’ পাবেন কি না। বিএনপির তরুণ নেতাকর্মীদের মধ্যেও তাকে দলের গণ্ডি পেরিয়ে ‘বাংলাদেশের মহাসচিব’ হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে, কারণ তিনি সবসময় দলের চেয়ে দেশের স্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।

মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়াকে একই সঙ্গে আনন্দ ও হতাশার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতি হিসেবে অভিভাবক পাওয়ার জন্য তাকে সঠিক মানুষ হিসেবেই বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে বিএনপিতে এমন একজন মানুষের শূন্যতা পূরণ করা কঠিন হবে। কোনো মারদাঙ্গা রাজনীতি বা অর্থবিত্তের প্রদর্শনী না করেও সাধারণ মানুষ এবং ভিন্ন মতাদর্শের কাছেও তার প্রতি সম্মান ও আস্থা রয়েছে। রাজনীতিতে সততা ও ভালো মানুষের স্থান রয়েছে— মির্জা ফখরুলের জীবন ও সংগ্রাম তারই প্রমাণ বলে উল্লেখ করেন ফাহাম।