=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুরাদের স্ত্রীর নিরাপত্তায় খোঁজ রাখছে পুলিশ

| নিউজ রুম এডিটর ৫:৩৯ অপরাহ্ণ | ০৭/০১/২০২২ জাতীয়, হেডার স্ক্রল

সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসানের নিরাপত্তার বিষয়ে সার্বক্ষণিক নজর রাখছে পুলিশ। স্বামীর বিরুদ্ধে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ডা. জাহানারা। এতে তিনি স্বামী মুরাদ হাসানের কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও উল্লেখ করেন।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ধানমন্ডি থানা পুলিশ জাহানারা এহসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তিনি কোনো সমস্যা বোধ করলে যেন সঙ্গে সঙ্গে তাকে সাপোর্ট দেওয়া যায়, পুলিশের পক্ষ থেকে সে প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা ওনার (ডা. জাহানারা এহসান) সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। উনি সমস্যা বোধ করলে বা নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করলে আমাদের জানাবেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবো।

জিডিতে ডা. জাহানারা অভিযোগ করেছেন, আজ (গতকাল বৃহস্পতিবার) ৬ জানুয়ারি আনুমানিক বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বরাবরের মতোই তিনি (ডা. মুরাদ) আমাকে ও আমার সন্তানদের গালিগালাজ করেন এবং মারধর করতে উদ্যত হন। পরে আমি ৯৯৯ নম্বরে কল করি। ধানমন্ডি থানা পুলিশ বাসার ঠিকানায় পৌঁছালে বিবাদী বাসা থেকে বের হয়ে যান। এ অবস্থায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি। বিবাদী যে কোনো সময় আমার ও আমার সন্তানদের ক্ষতি করতে পারেন।

মুরাদের স্ত্রীর এমন অভিযোগ সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এর তদন্তভার দেওয়া হয়েছে ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজিব হাসানকে।

তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই রাজিব হাসান জাগো নিউজকে বলেন, জিডি হয়েছে। তদন্ত শুরু করার জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হয়। আজ শুক্রবার হওয়ায় আগামীকাল আদালতের অনুমতির জন্য আবেদন করবো। অনুমতি পাওয়ার পর তদন্ত শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।

এদিকে অভিযোগ তদন্তে বিবাদী ডা. মুরাদ হাসানকেও তলব করা হতে পারে বলে জানান ওসি ইকরাম আলী।

তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা যদি মনে করে মুরাদ হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন, তাহলে তাকে তলব করা হবে।