=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে পরিচয় ! বান্ধবীকে বিয়ে করতে ঘড় ছাড়লো তরুণী একসাথে থাকতে চায় দুই তরুণী

| নিউজ রুম এডিটর ১০:০০ অপরাহ্ণ | ২২/০৩/২০২২ সারাদেশ

খায়রুল খন্দকার: দুই বছর আগে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের“বন্ধু খুঁজুন” গ্রুপের মাধ্যমে পরিচয় হয় নোয়াখালীর বিলকিস এবং টাঙ্গাইলের আঁখি নামের দুই তরুণীর। সেখান থেকে দুজনের মোবাইল নাম্বারে কথা বলতে বলতে তৈরী হয় বন্ধুত্ব এবং পরে সেটি প্রেমের পর্যায়ে গড়ায়। অবশেষে পালিয়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে রবিবার (২০ মার্চ) রাতে ঘড় ছাড়লেও দ্বীতীয়বারে প্রশাসনের উদ্দ্যোগে তাদের নিজ নিজ অভিভাবকের নিকট পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

বিলকিস (২০) নোয়াখালী সদর উপজেলার পূর্ব লক্ষীনারায়ন গ্রামের নূরুল হকের পাঁচ সন্তানের মধ্যে চতুর্থ এবং নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আঁখি(১৪) টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের ময়থা গাছপাড়ার আজাহার আলীর একমাত্র পালিত কন্যা ।

ওই দুই তরুণীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে দুই বছর যাবত তাদের পরিচয় বলে জানিয়েছে তারা। দেড়মাস আগে বাড়িথেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে যাবার পর জানতে পারি তারা দুজন দুজনকে ভালবাসে এবং বিয়ে করে সংসার করতে চায়। আগের বার সিরাজগঞ্জের একটি এলাকা থেকে ওদের উদ্ধার করে আমরা নিজেদের পরিবারে নিয়ে আসি।

বিলকিস বলেন, ফেসবুকে তাদের পরিচয়,প্রেম। আমি ওকে ভালোবাসি, তাই চলে এসেছি। আমার পরিবার আমাদের সম্পর্ক মানবে না, তাই বাড়ি থেকে নিরুপায় হয়ে পালিয়ে এসেছি। ওর পরিবার না মানলে আমরা দুজনে অন্য কোথাও গিয়ে বসবাস করব । আমাদের কেউ আলাদা করার চেষ্টা করলে জীবন দিয়ে দেবো।

আখিঁ বলেন, এর আগে আমরা ঢাকায় ও সিরাজগঞ্জ চলে গিয়েছিলাম। আমাদের পরিবার আলাদা করে নিয়ে এসেছে। সামাজিকভাবে আমাদের মানবে না, কিন্তু আমি ওর সঙ্গেই থাকতে চাই। বাঁচলেও ওর সঙ্গে, মরলেও ওর সঙ্গে। পুলিশ বা তারা যদি আমাদের মেরে ফেলতে চায়, তাহলে দুজনকে একসঙ্গেই মারতে হবে।

বিলকিসের ভাই শরিফুল ইসলাম জানান, ২০ মার্চ বিকেলে ডিম কেনার কথা বলে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এই ঘটনায় আমার আব্বা-আম্মা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। ওকে বাড়িতে নিয়ে আমরা বিয়ের ব্যবস্থা করবো।

ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম বিজু বলেন, স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশক্রমে উভয় পরিবারকে আমার ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসি। তাদের পরিবারের অভিভাবকদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে সাক্ষর ও প্রমাণাদি রেখে চৌকিদারদের মাধ্যমে তাদেরকে নিজ বাড়িতে পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন বলেন, নোয়াখালি ইউএনও মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করে বিলকিসের অভিভাবককে খুজেঁ বের করি। পরে মঙ্গলবার(২২ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় ফুলকি ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে লিখিত কাগজপত্র ও অঙ্গিকারনামা রেখে দুই মেয়েকেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।