=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবার কোলে গুলিবিদ্ধ শিশু তাসফিয়ার লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

| নিউজ রুম এডিটর ৮:৫৫ অপরাহ্ণ | ১৪/০৪/২০২২ লিড নিউজ, সারাদেশ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুরে বাবার কোলে গুলিবিদ্ধ তাসফিয়া আক্তার জান্নাতের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ ও হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের সরুরপোল এলাকায় নিহত তাসফিয়ার লাশ নিয়ে অবস্থান নেয় স্থানীয় এলাকাবাসী। এসময় তারা তাসফিয়ার হত্যাকারীদের ছবিযুক্ত ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

পরে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করলে ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামিদের গ্রেফতারের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাসফিয়া হত্যার ঘটনায় তার মামা (খালার স্বামী) হুমায়ন কবির বাদী হয়ে বাদশা, রিমনসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত নামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি।

প্রসঙ্গত, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তাসফিয়াকে নিয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী মালেকার বাপের দোকান এলাকার বন্ধু স্টোরে যান আবু জাহের। ওই দোকানে গিয়ে তাসফিয়ার জন্য চকলেট, জুস ও চিপস নিয়ে দোকান থেকে বের হওয়ার সময় মহিন, রিমন, আকবর, নাঈমের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একদল সন্ত্রাসী মামুনের দোকানে এসে তুই (আবু জাহের) ওইদিন বৈঠকে ছিলি বলে গালাগালি করে। এক পর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে পাশে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারে লেগে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে তারা দোকান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা পিছন থেকে তাদের লক্ষ্য করে প্রথমে ইট নিক্ষেপ করলে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাসফিয়া পরে তারা বাড়ি যাওয়ার সময় পিছন থেকে আরও দুই রাউন্ড শটগানের গুলি ছুঁড়ে সন্ত্রাসীরা।

এতে তাসফিয়া ও জাহের গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটে পড়েন। পরে গুলিবিদ্ধ তাসফিয়া ও আবু জাহেরকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয় লোকজন। পরে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লায় পৌঁছলে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা নানীর কোলে মারা যায় তাসফিয়া।

মাটি কাটার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও মাটি কাটা নিয়ে বিরোধের সঙ্গে কোনোভাবেই সংপৃক্তটা ছিল না মাওলানা আবু জাহের বা তার মেয়ে তাসফিয়ার। তবে মাটি কাটা নিয়ে বৈঠকে ছিল এমন অভিযোগে সন্ত্রাসীদের টার্গেট হয় মাওলানা আবু জাহের, আর সেই টার্গেটের স্বীকার হয়ে প্রাণ হারায় তাসফিয়া।