=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশকে উপেক্ষা করে মঞ্চের সামনে জুলাই শহীদ পরিবার-আহতদের অবস্থান

 

দাবি আদায়ে অনড় জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতরা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান স্থলের মঞ্চের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল চারটায় এই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিন সকালেই অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে অতিথিদের জন্য সাজিয়ে রাখা চেয়ারে জুলাই শহীদের পরিবার ও আহতরা অবস্থান নিয়ে বসে আছেন। অনুষ্ঠান মঞ্চ ও অতিথিদের চেয়ারের মাঝামাঝি স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

কয়েকটি দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিক্ষোভ শুরু করেছিল জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের ঐক্যবদ্ধ প্যানেল। ভোরে আলো ফোটার পরেই বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশের ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং একপর্যায়ে দক্ষিণ প্লাজায় মঞ্চের সামনে চলে যান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, বিক্ষোভকারীরা অতিথিদের চেয়ারে বসে পড়েন।

জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের ঐক্যবদ্ধ প্যানেলের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান, এবং শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি আইন করে তার বাস্তবায়ন।

 

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, বিক্ষোভকারীদের সরে যেতে বলা হলেও তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত যাবেন না বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠান স্থলে আসছেন এবং তাদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের আলোচনা হবে। আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বেলা সোয়া ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।