=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোদি-রাহুলের তীব্র বাকযুদ্ধ, আন্দোলনে উত্তপ্ত ভারত

| পিপলস ডিজিটাল ডেস্ক ৪:২২ অপরাহ্ণ | ২৩/০৭/২০২৬ আন্তর্জাতিক

ভারতে চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার নানা অনিয়মকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।

দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ, শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে দুই শীর্ষ নেতার বিপরীত অবস্থান জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, দেশের তরুণদের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যারা তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সরকারের অবস্থান স্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুবসমাজের স্বপ্ন পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই পালটা প্রতিক্রিয়া জানান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।

তার দাবি, বর্তমান সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে এবং যারা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে রক্ষা করেছে।

রাহুল গান্ধী তার বার্তায় বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি দখল ও ধ্বংস করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে উৎসাহও দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে এই অনিয়মের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, এ কারণেই আজ দেশের লাখো শিক্ষার্থী নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী ও তরুণদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, শুধু প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্ত করলেই হবে না, পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হচ্ছে।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, শিক্ষা ব্যবস্থায় একের পর এক অনিয়মের ঘটনা ঘটলেও সরকার তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে।

তাদের মতে, পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তরুণ সমাজের মধ্যে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা বলছেন, সরকার কোনো ধরনের অনিয়মকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তরুণদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।