=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, এলজিইডির প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা

| পিপলস ডিজিটাল ডেস্ক ৬:৫৯ অপরাহ্ণ | ২৬/০৭/২০২৬ বাংলাদেশ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম ও সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান খানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় অপর দুই আসামি হলেন দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।

হবিগঞ্জের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে ও ঠিকাদার মো. জুবাঈদ মিয়া।

রোববার আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে আগামী মঙ্গলবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, এলজিইডির আওতায় নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ী-বুরিনাও সড়কের উন্নয়ন, ইউ-ড্রেনেজ, বক্স কালভার্ট ও প্রতিরক্ষা কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম, জালিয়াতি ও কারসাজি করা হয়েছে। তার অভিযোগ, নিয়ম অনুসারে তার প্রতিষ্ঠানের কাজ পাওয়ার কথা থাকলেও পরিকল্পিতভাবে তাকে বঞ্চিত করে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ সুবিধা দিয়ে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

বাদীর অভিযোগ, টেন্ডার কার্যক্রম চলাকালে তার কাছে ১০ লাখ টাকা ঘুস দাবি করা হয়। তিনি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরিকল্পিতভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করে তাকে কাজ থেকে বঞ্চিত করা হয় এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ পাইয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

মামলার সাক্ষী হবিগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর টিপু আহমেদ বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম তাকে ফোন করে অফিসে ডেকে নেন এবং একটি টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।

তিনি জানান, টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় পরে জামাল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজটি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, ওই প্রতিষ্ঠানের কাজ নিয়েও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণেই ঠিকাদার জুবাঈদ মিয়া আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এলজিইডির হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।