=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসডোর গবেষণা

দেশে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

| পিপলস ডিজিটাল ডেস্ক ১০:৪৭ অপরাহ্ণ | ২৬/০৭/২০২৬ সারাদেশ

দেশে বিক্রি হওয়া প্রতি চারটি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় তিনটিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা—এসডো’র বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বাজারে থাকা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

 

 

 

 

প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্টের মধ্যে ‘কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা’-য় ১৪০টি, ‘মেরিল বেবি স্ট্রবেরি’-তে ৬০টি, ‘মেরিল বেবি অরেঞ্জ’-এ ৪০টি এবং ‘পেপসোডেন্ট কিডস অরেঞ্জ’-এ ২০টি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলো বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত। এই চারটি দেশের উৎপাদিত টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে, ভারতের ৫টির মধ্যে ১টিতে, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টিতে এবং ভিয়েতনামের ২টির দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

 

 

 

 

দেশে তৈরি ও আমদানি করা—উভয় ধরনের টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক মিলেছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য বিক্রি হওয়া ৬টি টুথপেস্টের মধ্যে ৪টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এসব টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ১৪০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। বাকি ২টি নমুনায় কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

 

 

 

পরিবেশবিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ এক বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

 

 

 

 

রোববার (২৬ জুলাই) এসডো কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি জানায়, সারাদেশের ২,৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ইনভাইরনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি ব্যবহার করে এই বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়েছে তারা।গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট পরীক্ষা করে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক বা প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ। এছাড়া ‘ক্লোজ আপ রেড হট’-এ ১৬০টি, ‘ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশ’-এ ১৬০টি, ‘কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরি’-তে ১৪০টি, ‘সিগনাল গ্রিন টি’-তে ১২০টি, ‘পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট’-এ ১০০টি, ‘হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার’-এ ১০০টি এবং ‘সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্ট’-এ ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।তবে গবেষণায় বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাংগো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত ‘কুডুমু অরেঞ্জ’-এও শনাক্তযোগ্য কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি