=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৭শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছেলের নামে জমি লিখে দেওয়ায় বাবার জানাজা-দাফন আটকে দিলেন মেয়ে

| নিউজ রুম এডিটর ৮:৫৮ অপরাহ্ণ | ১২/১০/২০২৬ সারাদেশ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে জীবদ্দশায় ছেলের নামে জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে মৃত্যুর পর বাবার জানাজা ও দাফন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে জানাজা ও দাফনে আপত্তি জানিয়েছেন মেয়ে। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে স্থানীয় ব্যক্তিরা মীমাংসার উদ্যোগ নেন।

 

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালীদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

মৃত ব্যক্তির নাম নাজির উদ্দিন বেপারি (৭০)। তার ছেলে ইদ্রিস আলীর (৪০) নামে প্রায় চার বিঘা জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সূত্রপাত।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে নাজির উদ্দিন তার ছেলের নামে ওই জমি লিখে দেন। তবে মেয়ে হালিমা বেগম (৫০) জমি না পাওয়ায় এ নিয়ে তার ক্ষোভ ছিল বলে স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান। এরমধ্যে রোববার দুপুর ২টার দিকে নাজির উদ্দিনের মৃত্যু হয়। পর দিন সোমবার সকাল ১০টার দিকে তার জানাজা ও দাফনের আয়োজন করা হলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ে হালিমা আপত্তি জানান। এতে জানাজা ও দাফন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

 

পরে স্বজন ও স্থানীয় ব্যক্তিরা বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেন। এ সময় বোন হালিমা বেগমকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করেন ইদ্রিস আলী। তবে সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরোধের চূড়ান্ত সমাধান না হওয়ায় এখন পর্যন্ত দাফন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

 

হালিমা বেগম বলেন, আমি আমার ন্যায্য অধিকার চাই। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত পারিবারিক বিরোধের সমাধান নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

 

তবে এ বিষয়ে ইদ্রিস আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম মিষ্টি বলেন, নাজির উদ্দিনের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে সম্পত্তির বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। বিষয়টি সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

 

ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাহ মো. জিল্লুর রহমান বলেন, বিষয়টি সমঝোতার জন্য উভয় পক্ষ ও গ্রামবাসীকে নিয়ে আলোচনা চলছে। আমরা চাই, বিরোধের সমাধান করে নাজির উদ্দিনের দাফন সম্পন্ন হোক।

 

এ ব্যাপারে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইস্তেকার হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক এ বিরোধের সমাধানে স্থানীয়রা চেষ্টা করছেন।