• আজ ৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলকে নিয়ে ফাহাম আব্দুস সালামের আবেগঘন স্ট্যাটাস

| নিউজ রুম এডিটর ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ | ২৩/০৮/২০২৬ অন্যান্য

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করার পর তাকে নিয়ে একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ও গবেষক ড. ফাহাম আব্দুস সালাম। পোস্টে তিনি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহাম আব্দুস সালাম মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সততা, দায়িত্বশীলতা এবং দেশ ও দলের প্রতি তার নিঃস্বার্থ অবদানের কথা তুলে ধরেন। দীর্ঘ ২২ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি মির্জা ফখরুলকে একটি যৌথ পরিবারের দায়িত্বশীল বড় ভাইয়ের সঙ্গে তুলনা করেন, যিনি নিজের সুখ-স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে অন্যদের ভালো রাখার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পান।

ফাহাম লেখেন, মির্জা ফখরুল এমন একজন মানুষ যিনি নিজের প্রাপ্তি বাদ দিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার অতুলনীয় আনুগত্যের কথা উল্লেখ করে পোস্টে বলা হয়, বেগম জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে তিনি জীবনের মূল ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর সিঙ্গাপুরে এক কথোপকথনে মির্জা ফখরুল তাকে বলেছিলেন যে, তার জীবনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে কারণ তিনি ম্যাডামকে মুক্ত করতে পেরেছেন এবং দেশ গণতন্ত্রের পথে ফিরছে। ফাহাম মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে মির্জা ফখরুলের মতো নেতার পাশে থেকে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার মতো এমন অনুগত সহযোদ্ধা পাওয়া যেকোনো নেতার জন্যই সৌভাগ্যের বিষয়।

মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ফাহাম লিখেছেন, এই অর্জন আনন্দের কারণ জাতি এমন একজন অভিভাবক পেয়েছে, আবার হতাশার কারণ বিএনপিতে এমন একজন মানুষের শূন্যতা পূরণ করা অত্যন্ত কঠিন। তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা ফখরুল কোনো মারদাঙ্গা রাজনীতি বা ক্ষমতার প্রদর্শন করেননি, বরং তার সততা ও ভদ্রতার কারণে দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে তিনি শ্রদ্ধা ও আস্থার পাত্র হয়েছেন। রাজনীতিতে সৎ ও ভালো মানুষের স্থান রয়েছে, মির্জা ফখরুলের জীবন ও সংগ্রাম তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে উল্লেখ করেন এই গবেষক।