• আজ ৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করায় ফাহাম আব্দুস সালামের আবেগঘন স্ট্যাটাস

| নিউজ রুম এডিটর ১১:১০ অপরাহ্ণ | ২৩/০৮/২০২৬ অন্যান্য

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রজ্ঞাপন জারি করার পর তাকে নিয়ে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ও গবেষক ড. ফাহাম আব্দুস সালাম। তিনি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহাম মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সততা, দায়িত্বশীলতা এবং দেশ ও দলের প্রতি তার নিঃস্বার্থ অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পোস্টে ফাহাম লেখেন, দীর্ঘ ২২ বছর ধরে খুব কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতায় মির্জা ফখরুলকে একটি যৌথ পরিবারের দায়িত্বশীল ‘বড় ছেলে’র সঙ্গে তুলনা করা যায়। নিজের সুখ ও স্বার্থ ত্যাগ করে অনুজদের মধ্যে আনন্দ বিলিয়ে দেওয়াই তার স্বভাব। তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল এমন একজন বড় ভাই, যিনি ভাইবোনদের চকলেট দিয়ে নিজে না খেয়েও খুশি থাকেন। তৃণমূল ও দেশবাসীর প্রতি তার নিবেদন অতুলনীয়। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার আনুগত্য ছিল প্রশ্নাতীত এবং বেগম জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে তিনি জীবনের মূল দায়িত্ব হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর সিঙ্গাপুরে এক একান্ত আলাপে তিনি নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে বলেছিলেন যে, তার জীবনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ফাহাম তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে মির্জা ফখরুলের মতো একজন অনুগত সহযোদ্ধা বা ‘সাহাবী’ পাওয়া যেকোনো নেতার জন্যই সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়াটা তার জন্য একই সঙ্গে আনন্দের ও হতাশার। আনন্দের এ কারণে যে, জাতি অভিভাবক হিসেবে এমন একজন মানুষকেই পেয়েছে; আর হতাশার কারণ হলো, বিএনপিতে এমন একজন মানুষের বিকল্প বা রিপ্লেসমেন্ট খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। বঙ্গভবনের ঘেরাটোপে তার মতো কর্মঠ মানুষের দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাজনীতিতে মারদাঙ্গা বা অর্থবিত্তের প্রদর্শনী না করেও সাধারণ মানুষ ও ভিন্ন মতাদর্শের কাছে কীভাবে সম্মান অর্জন করা যায়, মির্জা ফখরুল তার এক বড় প্রমাণ উল্লেখ করে ফাহাম স্ট্যাটাসের শেষে লেখেন, যারা মনে করেন রাজনীতিতে সৎ ও ভালো মানুষের স্থান নেই, তারা সম্পূর্ণ ভুল।