• আজ ৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলকে নিয়ে ড. ফাহামের আবেগঘন স্ট্যাটাস

| নিউজ রুম এডিটর ১২:১৫ অপরাহ্ণ | ২৪/০৮/২০২৬ অন্যান্য

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন প্রজ্ঞাপন জারি করার পর তাকে নিয়ে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ও গবেষক ড. ফাহাম আব্দুস সালাম। পোস্টে তিনি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন অনুগত সহযোদ্ধা পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহাম আব্দুস সালাম মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সততা, দায়িত্বশীলতা এবং দেশ ও দলের প্রতি তার নিঃস্বার্থ অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২২ বছরের অভিজ্ঞতায় মির্জা ফখরুলকে একটি যৌথ পরিবারের দায়িত্বশীল বড় ভাইয়ের সঙ্গে তুলনা করা যায়, যিনি নিজের সুখ-স্বার্থ ত্যাগ করে অন্যদের মাঝে আনন্দ খুঁজে ফেরেন। তার ভদ্র আচরণ ও কর্মস্পৃহা তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

ফাহাম লেখেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার আনুগত্য ছিল অতুলনীয়। বেগম জিয়ার মুক্তি ও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে তিনি নিজের জীবনের মূল দায়িত্ব হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর সিঙ্গাপুরে এক একান্ত কথোপকথনে মির্জা ফখরুল তাকে বলেছিলেন যে, তার জীবনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ফাহাম মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে মির্জা ফখরুলের মতো একজন অনুগত ও নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা পাওয়া যে কোনো নেতার জন্যই সৌভাগ্যের বিষয়।

মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়া নিয়ে ফাহাম মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে লেখেন, এটি তার জন্য একাধারে আনন্দের ও হতাশার। আনন্দের এই কারণে যে জাতির অভিভাবক হিসেবে এমন একজন উপযুক্ত মানুষকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। আর হতাশার কারণ হলো, বিএনপিতে এমন একজন নেতার শূন্যতা পূরণ করা অত্যন্ত কঠিন, যিনি নিজের চেয়ে দলের ও দেশের স্বার্থকে সবসময় বড় করে দেখেন। বঙ্গভবনের ঘেরাটোপে তার মতো কর্মঠ মানুষের দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কোনো ধরনের মারদাঙ্গা রাজনীতি বা অর্থবিত্তের প্রদর্শন ছাড়াই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের মাঝেও তার যে গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান রয়েছে, তা রাজনীতিতে সততার অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে উল্লেখ করেন এই গবেষক।