• আজ ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলকে নিয়ে ফাহাম আব্দুস সালামের আবেগঘন স্ট্যাটাস

| নিউজ রুম এডিটর ১:৪০ পূর্বাহ্ণ | ২৬/০৮/২০২৬ অন্যান্য

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করার পর তাকে নিয়ে একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ও গবেষক ড. ফাহাম আব্দুস সালাম। পোস্টে তিনি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মী পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহাম আব্দুস সালাম মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সততা, দায়িত্বশীলতা এবং দেশ ও দলের প্রতি নিঃস্বার্থ অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে খুব কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুলকে একটি যৌথ পরিবারের দায়িত্বশীল বড় ভাইয়ের সঙ্গে তুলনা করেন।

ফাহাম লেখেন, মির্জা ফখরুল নিজের সুখ-স্বার্থ ত্যাগ করে অনুজদের বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পান। ব্যক্তিগত জীবনে অলস বসে থাকা তার স্বভাববিরুদ্ধ এবং সুযোগ পেলেই তিনি কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। তার এই কর্মস্পৃহা ও ভদ্র আচরণই সাফল্যের চাবিকাঠি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার আনুগত্য ছিল অতুলনীয় এবং বেগম জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে তিনি নিজের জীবনের মূল দায়িত্ব হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

ফাহাম আরও উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের পর সিঙ্গাপুরে এক একান্ত আলাপে মির্জা ফখরুল তাকে বলেছিলেন যে তার জীবনের কাজ শেষ, ম্যাডামকে বের করে আনতে পেরেছেন এবং নির্বাচন হলে দেশ গণতন্ত্রে ফিরবে, এতেই তিনি সন্তুষ্ট। রাজনীতিতে মির্জা ফখরুলের মতো একজন অনুগত ও নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা পাওয়া যেকোনো নেতার জন্যই সৌভাগ্যের বিষয় বলে উল্লেখ করেন এই গবেষক।

মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রসঙ্গে ফাহাম জানান, এটি তার কাছে একই সঙ্গে আনন্দের ও হতাশার। আনন্দের কারণ জাতি তাকে অভিভাবক হিসেবে দেখতে চায় এবং সঠিক মানুষকেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা হয়েছে। আর হতাশার কারণ হলো, বিএনপিতে এমন একজন মানুষের বড় প্রয়োজন ছিল যিনি নিজের আগে দলের ও দেশের স্বার্থ দেখেন, আর তার বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন। বঙ্গভবনের ঘেরাটোপে তার দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টের শেষে ফাহাম বলেন, যারা মনে করেন রাজনীতিতে সৎ ও ভালো মানুষের কোনো স্থান নেই, তারা সম্পূর্ণ ভুল। মির্জা ফখরুলের জীবন ও সংগ্রাম তারই বড় প্রমাণ।