=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাজমিনকে ধর্ষণ-হত্যার দিনও নেশাগ্রস্ত ছিলেন সুমন

| নিউজ রুম এডিটর ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ | ১১/১০/২০২৬ সারাদেশ

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) ধর্ষণ ও হত্যা মামলার একমাত্র আসামি সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা ও ইয়াবায় আসক্ত। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের দিনও নেশাগ্রস্ত ছিলেন তিনি। শনিবার রাতে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তাজমিনকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন সুমন।

 

সুমনের ভায়রা যুবায়ের জানান, সুমনের ১৬ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ১৪ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে। মাদকাসক্তি ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার স্ত্রী জেসমিন সন্তানদের নিয়ে আলাদা থাকেন। সুমন থাকতেন শ্বশুরবাড়িতে। সেখানে বসতঘরের আসবাবপত্রসহ একে একে সবকিছু বিক্রি করে দেন তিনি। বর্তমানে নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন সুমন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর ধরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালান সুমন। দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবনের সঙ্গেও জড়িত তিনি। পারিবারিক বিরোধের জেরে লালমাই থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও রয়েছে।

 

সুমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। প্রায় ১৭-১৮ বছর আগে বিয়ে করে ঘরজামাই হিসেবে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস শুরু করেন তিনি। প্রায় এক মাস আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে যান সুমন।

 

গত বুধবার গভীর রাতে জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন সুমন। এরপর পাশের একটি মসজিদের পুকুরে গোসল করে চট্টগ্রামের দিকে চলে যান তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে চট্টগ্রামের অলংকার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে আসা একটি বাস থেকে কুমিল্লার পদুয়ারবাজারের হোটেল নূরজাহানের সামনে নামেন তাজমিন। সেখান থেকে নগরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন তিনি। চালক সুমন তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।

 

এ ঘটনায় সুমনকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি অপরাধ স্বীকার করেছেন। ঘটনার দিন আসামি নেশাগ্রস্ত ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।