
ডেঙ্গু পরিস্থিতি হঠাৎ করে খারাপ হয়নি। গত বছর এবং তার আগের বছরেও ব্যাপকভাবে মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল। বর্তমানে হাসপাতালে রোগীরা যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন। ওষুধ, স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তবে আক্রান্ত হওয়ার আগেই সবাইকে সচেতন হতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ।
তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গুর একটি হটস্পট হলেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। আশা করা হচ্ছে, অক্টোবরের মধ্যেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যসচিব বলেন, এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার অন্যতম কারণ থেমে থেমে ঘন ঘন বৃষ্টিপাত। অল্প পরিমাণ বৃষ্টির পানি বিভিন্ন স্থানে জমে থাকায় এডিস মশার প্রজনন বেড়েছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, সেসব এলাকা নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। দেশের আট থেকে ১০টি হটস্পটের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অন্যতম। জেলাটিকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারও জেলা হাসপাতালে দেড় শতাধিক ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, কোথাও যেন বৃষ্টির পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাড়ি ও হাসপাতালে সবার মশারি ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যসচিব হাসপাতালের আশপাশের এলাকা, রান্নাঘর এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। পরে তিনি স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়























