• আজ

৪ নভেম্বর ৩ দাবিতে মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

৪ নভেম্বর ৩ দাবিতে মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

বদলির আদেশ জারি, নবম পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান এবং আগামী ঈদুল ফিতর থেকে শতভাগ উৎসব ভাতা কার্যকরের দাবিতে আগামী ৪ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

একই কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে জারি করা তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহার এবং তার হয়রানি বন্ধের দাবিও জানানো হবে।

রোববার (১ নভেম্বর) জোটের যুগ্ম সদস্য সচিব প্রকৌশলী মো. আবুল বাশারের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের ব্যানারে এ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে তদন্ত নোটিশ জারির প্রতিবাদে গত শনিবার দেশের শতাধিক উপজেলা ও জেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলির আদেশ জারি, নবম পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান এবং আগামী ঈদুল ফিতর থেকে শতভাগ উৎসব ভাতা কার্যকর করার দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে এসব দাবি জানিয়ে আসছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

এদিকে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে জারি করা তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহারে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছে জোট। পাশাপাশি, শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হয়রানির অভিযোগে অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. শামিউল ইসলাম প্রামাণিককে প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

অন্যদিকে, অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তে গত ২৯ অক্টোবর তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. চাঁদ মিয়াকে আহ্বায়ক, সহকারী পরিচালক মো. বুলবুল আহম্মেদকে সদস্য এবং সহকারী পরিচালক বেনজীর আহমেদকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, ময়মনসিংহের সদর উপজেলার কাতলাসেন কাদেরিয়া কামিল মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য মো. আতাউর রহমান অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরে অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি একাধিক মাদ্রাসায় চাকরির সময় জাল সনদ ব্যবহার, অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুস লেনদেন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।

তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মহাপরিচালকের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। এ কাজে কমিটির সদস্যরা বিধি অনুযায়ী যাতায়াত ও দৈনিক ভাতা পাবেন বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।