=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবির সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুব’কে বহিষ্কারের দাবিতে শিবিরের বিক্ষোভ 

| নিউজ রুম এডিটর ১০:৪৬ অপরাহ্ণ | ২৪/০৮/২০২৫ শিক্ষাঙ্গন

 

মানিক হোসেন, ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের বিচার ও বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে শাখা ছাত্রশিবির। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের এ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে আওয়ামী শাসনামলে বিরোধী মতের দমন-পীড়ন, শিক্ষার্থীদের ক্রসফায়ারের চেষ্টা, জঙ্গি নাটক ও নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তাসহ নানা অভিযোগে রয়েছে।

রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা। এতে সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি, অর্থ সম্পাদক আল আমিন, আন্তর্জাতিক ও এডুকেশন এন্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক হাসানুল বান্না অলিসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সংগঠনটির শাখা সভাপতি বলেন, আওয়ামী শাসনামলে সাবেক প্রক্টর মাহবুবকে আমরা কখনো শিক্ষকের পরিচয়ে পাই নি। পর্দা করায় নারী শিক্ষার্থীকে জঙ্গি সাজিয়ে হয়রানি করা, শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হল থেকে নিয়ে জঙ্গি বানিয়ে পুলিশে দেওয়া, ইসলামী শিক্ষাকে ধ্বংস করার জন্য মক্তব বন্ধ করা, রুমে পিস্তল রেখে মামলা দেওয়া, শিক্ষার্থীদেরকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ার দেওয়ার জন্য চোখে কালো কাপড় বেঁধে তিন দিন বেঁধে রাখাসহ আমরা তার নানা অন্যায় অনিয়মের ইতিহাস দেখেছি। এমনকি তিনি বাদী হয়ে ৭০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলো যা এখনো নিষ্পত্তি হয় নাই। একটি বছর হয়ে গেছে কিন্তু এখনো এই সমস্ত শিক্ষকদের সাথে প্রশাসনের গলায় গলায় খাতির। তাদের হাতে ক্যাম্পাস নিরাপদ হতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা আন্দোলনের বিরোধিতা করেছে তাদের মধ্যে মাত্র ১৯ জনের নাম তদন্তে এসেছে। কিন্তু তাতে রাঘববোয়ালদের নাম আসেনি। এই সন্ত্রাসীদেরকে আমরা ক্যাম্পাসে দেখতে চাই না। এছাড়া শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ইকসু গঠন। তাই দ্রুত ইকসু গঠন, সাজিদ হত্যাকাণ্ডের বিচার, বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটালাইজেশন ও শতভাগ আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।