=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসি পরীক্ষা বয়কটকারী মাহিন পরীক্ষার্থীই না

| পিপলস ডিজিটাল ডেস্ক ৮:০৭ অপরাহ্ণ | ১৬/০৭/২০২৬ শিক্ষাঙ্গন

বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও গত ১৩ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া এবং শিক্ষামন্ত্রীর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সারাদেশে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর জেরে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষা বয়কটের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পক্ষে পরীক্ষা বয়কটের ডাক দেন সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী রেদোয়ান মাহিন।

সমাবেশে দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও অল্প সময়ের মধ্যেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, রেদোয়ান মাহিন এইচএসসি পরীক্ষার্থী নন। তিনি বর্তমানে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এছাড়া তিনি জাতীয় ছাত্রশক্তি, জামালপুর জেলা শাখার একজন সংগঠক বলেও জানা গেছে।

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে এশিয়া পোস্টকে রেদোয়ান মাহিন বলেন, আমি নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি, আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ে এইচএসসি পরীক্ষা বয়কটের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়াটা ঠিক হয়নি। এজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

তিনি আরও বলেন, আমি সিনিয়রদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলাম। তবে আমি যেভাবে পরীক্ষা বয়কটের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছি, সেটি আমার ভুল ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকব।

এদিকে, রেদোয়ান মাহিনের পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এইচএসসি পরীক্ষার্থী না হয়েও কীভাবে তিনি পরীক্ষার্থীদের পক্ষে পরীক্ষা বয়কটের আহ্বান জানালেন। আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।

অন্যদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সারাদেশের কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।